ক্যাটেগরিঃ প্রশাসনিক, ফিচার পোস্ট আর্কাইভ

 

IMG_20151126_141755_0
সংযুক্ত ছবিগুলো উত্তরার ১৩ ও ১৪ নাম্বার সেক্টরের মাঝখানের সড়কটির। যেখানে মাত্র ৩০০ গজের মধ্যে অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল এর একটি। মাষ্টার মাইন্ড এর তিনটি এবং মাইলস্টোন স্কুলের একটি শাখা অবস্থিত।
এর মধ্যের একটি স্কুলেরও নেই গাড়ি পার্কিং এর ব্যবস্থা। ফলে এই স্কুলগুলো শুরু এবং ছুটির সময় কি পরিমাণ যানজট লেগে যায় তা যে কারোরই বুঝতে বাকি থাকে না। অফিসগামী মানুষদের নিত্যই এক দুর্বিষহ পরিস্থিতির শিকার হতে হয়।

 

IMG_20151126_141801_0

আশ্চর্যের বিষয় হল বেশ কিছুদিন দেখছি পরিবেশের দোহাই দিয়ে সেক্টরের মধ্যে গড়ে ওঠা ছোট ছোট দোকানগুলি কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে ভেঙ্গে দেয়া হচ্ছে। অথচ এই স্কুলগুলির ব্যাপারে তারা নিশ্চুপ। আজকের পত্রিকায় দেখলাম ঢাকা সিটি কর্পোরেশন বাড়ীর বেজমেন্টে গড়ে ওঠা দোকান উঠিয়ে দেবে বলছে। অথচ তার আগে কি এই স্কুলগুলোকে সরিয়ে নেয়া বেশি জরুরী বলে তাদের কাছে মনে হয় না?

IMG_20151126_141717_0
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, উত্তরা জসিমউদ্দিনের যানজটের জন্য শুধুমাত্র স্কলাশটিকা স্কুলটিই আশি ভাগ দায়ী। অথচ আজ পর্যন্ত সেটি ওখান থেকে সরিয়ে নেয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। এভাবেই যদি এক চোখ বন্ধ করে যানজট নিরসনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় তাহলে তাতে যানজট নিরসন হবে না বরং সাধারণ মানুষকেই হয়রানি করা হবে। তাতে আখেরে লাভটা কার হবে?