ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

12647100_1672206533055735_4631793184845961231_n

ছবিতে দেখা যাচ্ছে মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় সিএনজি মিটারের বেশী ভাড়া আদায় করছে কিনা তার খোজ নিচ্ছেন। স্বাভাবিকভাবেই তার সাথে পুলিশ সদস্যও রয়েছেন। ঠিক একই রকম যদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী মহোদয়ও রাস্তায় নামতেন পুলিশ সদস্যদের বিষয়ে খোজ খবর নিতে তাহলে হয়ত কোন চা দোকানীকে চাঁদা না দেয়ার অপরাধে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মরতে হত না।
খবরঃপুলিশের লাঠির আঘাতে চুলার ছিটকে পড়া তেলের আগুনে দগ্ধ হয়ে চা বিক্রেতার মৃত্যুর পর রাজধানীর শাহআলী থানার পাঁচ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। সূত্রঃ ইত্তেফাক ৫/২/১৬
পুলিশের বিরুদ্ধে ওঠা পৌনঃপুনিক অভিযোগের ফলে জনমনে যে ভীতির সঞ্চার হয়েছে তাও অনেকটাই হ্রাস পেত।
গুটি কয়েক পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে উঠেছে এন্তার অভিযোগ। যা পুরো পুলিশ বাহিনীর উপরেই গিয়ে পড়ছে। পুলিশ প্রশাসন এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও হয়ত নিচ্ছে কিন্তু বাস্তবতা হল সেই শাস্তি দায়ী পুলিশ সদস্যদের অপরাধমুলক কর্মকাণ্ড করা থেকে নিবৃত্ত করতে সক্ষম হচ্ছে না। কাজেই পুলিশের ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনার স্বার্থেই এবং সরকারকেও সমূহ বিপদের হাত থেকে রক্ষা পেতেই সময়োপযোগী ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।
আজ আওয়ামীলীগের পরীক্ষিত সুধী জনরাও উদ্বেগ প্রকাশ করছেন পুলিশের কর্মকাণ্ড দেখে। আজ তারাও বলতে বাধ্য হচ্ছেন এত এত উন্নয়নও সরকারকে রক্ষা করতে পারবে না পুলিশ সদস্যরা যে গভীর খাদ বানিয়েই চলেছেন তা থেকে! আমরা দেখতে পাচ্ছি উন্নয়নের সমান্তরাল তৈরি হচ্ছে গভীর গিরি খাদও। বিএনপির সময় যে খাদ সরকারের সদস্যরা নিজেরাই তৈরি করেছিল আওয়ামীলীগের সময়ে এসে তা করছে পুলিশ সদস্যরা! এটা আশ্চর্যজনক যে, বিষয়টি নিয়ে এখন পর্যন্ত আওয়ামীলীগের নেতা কর্মিরা সোচ্চার হয়ে উঠছেন না। যা অনেকটা হতাশারও।
এরপরেও এটা এখনো বিশ্বাস করি। পুলিশ সদস্যের মধ্যে খুব বেশী সদস্য এর জন্য দায়ী নন। তাই যদি হত তাহলে গোটা সিস্টেমটাই কলাপ্স করত। কাজেই সুযোগ আছে এই বাহিনীটিকে পরিশুদ্ধ করার। আর তার প্রয়োজনটাও অত্যন্ত জরুরী। অতএব দয়া করে বিষয়টিকে আমলে নিন।