ক্যাটেগরিঃ ধর্ম বিষয়ক

 

আমরা যখন বলছি আমাদের স্বাধীনতা আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ আমাদের বঙ্গবন্ধু এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের অশ্রদ্ধা করা হয় এমন কোন বক্তব্য প্রদানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিন। প্রয়োজনে আইন প্রণয়ন করুণ। এই বিষয়গুলি নিয়ে কথা বলার স্বাধীনতা বলতে কিছু নেই। তাহলে তো দেশ বিরোধী বলে কিছুই থাকে না।

আমার উপরোক্ত কথাগুলোকে পছন্দ করার লোকের অভাব নেই। কিন্তু যখন হাতজোড় করে বলি। দয়া করে আমার ধর্ম, আমার বিশ্বাসকে খাটো করবেন না। আপনি আপনার বিশ্বাস নিয়ে থাকুন আমাকে আমার বিশ্বাস নিয়ে থাকতে দিন। তখনই আপনারা লেখার স্বাধীনতার কথা বলেন। এটা কি বৈপরীত্য নয় ?
gtmroyblog_1199768344_1-1
দেশের স্বার্থে যদি বাক স্বাধীনতার লাগাম টেনে ধরা উচিৎ বলে মনে করেন তাহলে ধর্মের স্বার্থে, দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থে কেন বাক স্বাধীনতার লাগাম টেনে ধরা উচিৎ বলে মনে করবেন না?
একটু খেয়াল করে দেখুন তো আমাদের দেশে ইসলাম ব্যতিরেকে অন্য কোন ধর্ম নিয়ে বিদ্বেষপূর্ণ লেখার চর্চা হয় কিনা।

হয় না। হোক সেটা চাইও না। মহানবী (সঃ) এর নখের যোগ্যতা কোন মানবের নেই। মহানবী(সঃ) এর সমসাময়িক কোন বিধর্মীর কাছ থেকেও তাঁর বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ উঠেছে এমন কোন ঐতিহাসিক প্রমাণ নেই।

আর আজ আপনি যা ইচ্ছে তাই লিখে যাবেন সেটাই মেনে নিতে হবে? জাফর ইকবাল স্যারের আজকের কথা আপনার ভাল লাগে না; অন্যসময় লাগে। ভালোলাগাটা কি তাহলে সত্য নির্ভর নাকি স্বার্থ নির্ভর?

লক্ষণীয় বিষয় হল, ধর্ম সম্পর্কে কুৎসা রটনাকারীরা সাধারণত স্বধর্মাবলম্বিই হয়ে থাকে। তাঁর পেছনেও থাকে একটা সূক্ষ্ম চাতুর্য। এদের মুল উদ্দেশ্যই হল সমাজে অশান্তি ছড়ানো। অস্থিতিশীলতা তৈরি। এদের পক্ষ নেয়ার পক্ষে কোন যুক্তিই নেই।

kmgmehadi@gmail.com