ক্যাটেগরিঃ প্রশাসনিক

এয়ারপোর্ট স্টেশন থেকে কমলাপুর ৪৫ টাকা দিয়ে আসন বিহীন টিকিট কিনে প্রতিদিন এভাবেই মানুষ গাদাগাদি করে চলাফেরা করেন। অথচ রেল একটি লস প্রজেক্ট! আমি দূর পাল্লার ট্রেনের কথা বলছি। এর বাইরে লোকাল ট্রেনে ২০ টাকা ডেমু ৩০ টাকা হলেও ট্রেন স্বল্পতার কারণে অথবা যাত্রী চাপ অনেক বেশী হওয়ায় যখন যে ট্রেনটিই আসছে যাত্রীরা হুড়োহুড়ি করে উঠে পড়ছেন। আধা ঘন্টা দাঁড়িয়ে যাওয়া বা গাদাগাদি করে যাওয়া সব কিছু মেনে নিয়েই। এসবই রেল কর্তৃপক্ষের জানা, তথাপিও এর বিকল্প কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। পাশাপাশি যে কথাটি বরাবরের মতই শুনে আসছি তা হল রেল কখনোই লাভের মুখ দেখে না।

 

265

 

কারণটা কি? কারণটাও জানা গেল ঐ এক রেল ভ্রমণেই। আর তা হল অবধারিতভাবে প্রতিটি দূর পাল্লার ট্রেনকে এসে থামতে হবে খিলগাও রেল ক্রসিং এ এবং সেখানেই নেমে যান সকল টিকিটবিহীন যাত্রী।

যদি প্রশ্ন করেন খিলগাও রেল ক্রসিং রেলগাড়ি কেন থামে কোন উত্তর মিলবে না তবে ট্রেন এখানে থামবেই; থামতে বাধ্য। নয়ত তাদের পকেটে টান পরবে যে। প্রশ্ন হল, এই তাদের(?) দৌরাত্ম কি আদৌ কোনদিন বন্ধ হবে?

উল্লেখ্য, এই ক্রসিং-এ ডেমু বা বেসরকারিভাবে পরিচালিত কোন ট্রেনই থামে না।