ক্যাটেগরিঃ চিন্তা-দর্শন

 

3eabec2f372ff8d369fd6a0aa4a8d3fa
ক্ষেত্র বিশেষে হয়ত কোন নতুন বন্ধন পুরনোকে ছিন্ন করতে প্রভাবকের ভূমিকা পালন করে তবে সবক্ষেত্রে নয়। একটি সম্পর্ক জুড়ে থাকতে হলে উভয়ের মধ্যে থাকা চাই পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা বোধ, ভালবাসা। আর সম্মান করা উচিৎ একে অপরের পছন্দ অপছন্দকে। একটা সময় ছিল যখন মানুষ মেনে নেয়ায় আর মানিয়ে নিতে অভ্যস্ত ছিল। এখন সময়টা পালটে গেছে। এখন কেউ কাউকে ছাড় দেয় না। কাজেই নিজের প্রয়োজনেই অপরকে বুঝতে পারাটা অনেক বেশী জরুরী। সমাজে অনেক সম্পর্কই তো দেখি। ক’টা হৃদয়ের টানে আর ক’টা প্রয়োজনের তাগিদে সেই শুমারি করতে গেলে যে ভয়াবহ চিত্রটি আমাদের সম্মুখে উন্মোচিত হবে তার জন্য আমরা আদৌ প্রস্তুত নই।
পারস্পরিক শ্রদ্ধা বোধের এক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ চলছে আমাদের সমাজে। তার সাথে যোগ হয়েছে স্বার্থপরতা। আর এ দুয়ে মিলে আমাদের করে তুলেছে নির্লজ্জ, হিংস্র, স্বার্থান্ধ। সম্পর্কটা এখন তাই কেবল আক্ষরিক কেবলই আইন গত যেখানে হৃদয়ের কোন সংশ্রবই নেই। এ সম্পর্ক প্রেমময় নয় ক্রমাগত ছড়ায় বিষ বাষ্প।

বন্ধু দিবস পালন করতে হয় বন্ধুত্বের আহ্বান নিয়ে বন্ধু মেলে না তবু। অথচ গৃহাভ্যন্তরে আজ আমরা নির্বান্ধব! একটু ছাড় দিন, একটু ভালবাসুন, একটুকু হন নিঃস্বার্থ। অগ্রজকে সম্মান দিন অনুজকে দিন স্নেহ। আপনার ভালবাসার অভাব হবে না জগতে। কর্পোরেট ভালবাসা ছেড়ে প্রাণের ভালবাসায় মেতে উঠুন। আমাদের মত ভালবাসতে কেউ জানে না আমাদের মত পাশে দাড়াতে কেউ পারে না। আমাদের মত সুখী জীবন যাপনের সাধ্য কারো নেই। আমরা কেন আমাদের কাছেই ফিরে আসি না?