ক্যাটেগরিঃ প্রশাসনিক

 
tokitahmid-1477734887-a2ec48e_xlarge

মা ওঠো………….ও মা ওঠো….. ওঠো না মা….
মা হারানোর যন্ত্রণা সকলের সমান !!!!
তাই গাড়ী সাবধানে চালান সবার পরিবার সবার জন্য অপেক্ষা করছে !!!!!
ছবি সহ এই পোস্টটি প্রশাসনিক নিউজ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে করা একটি সচেতনতামূলক পোষ্ট। আমার প্রশ্ন হল যাদের জন্যে এই পোষ্ট তাঁরা কি এ কথা শুনতে পান? আর শুনতে পেলেই বা কি? এ কথা শোনার বা বোঝার মত মানসিক অবস্থা আমাদের কত ভাগ চালকের আছে সে হিসেব কি আমাদের প্রশাসনের কাছে আছে?
আমাদের দেশের কত ভাগ চালক নেশাগ্রস্থ ভাবে গাড়ী চালান সেটা কি আমাদের প্রশাসন কখনো ক্ষতিয়ে দেখেছে?
সড়ক দুর্ঘটনার জন্যে আমরা রাস্তার দৈন্যদশা, ট্রাফিক, জ্যাম এসবকে অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করি। চালক গন নেশাগ্রস্থ কিনা তাঁরা শারীরিক ও মানসিকভাবে গাড়ী চালানোর জন্য উপযুক্ত কিনা সেটা একবারও ভেবে দেখছি না। অথচ এটা ভীষণ জরুরী। আমাদের দেশের গাড়ী চালক গন এমনকি তাদের সহকারীরাও বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই থাকেন নেশাগ্রস্ত। যার সরাসরি প্রভাব পড়ে তাদের গাড়ী চালানোর ক্ষেত্রে।
হাইওয়েতে যত দুর্ঘটনা ঘটে তার অধিকাংশই ওভারটেকিং এর কারণে। যারা এটা প্রত্যক্ষ করেছেন তাঁরা জানেন বেশীরভাগ সময়েই এই ওভারটেকিং করা হয় অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে। যা কোন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের পক্ষে করা অসম্ভব।

চালকদের স্বাস্থ্য সনদই যে সড়ক দুর্ঘটনা রোধের একমাত্র উপায় তা আমি বলছি না তবে কিছুটা যে কাজে দেবে তা তো ঠিক। হয়ত এ ক্ষেত্রেও কেউ কেউ বলবেন ভুয়া ড্রাইভিং লাইসেন্সের মতই ভুয়া স্বাস্থ্য সনদ পাওয়া যাবে। হ্যাঁ তা হয়ত পাওয়া যাবে কিন্তু সেটা তোঁ বন্ধ করাও সম্ভব। আর চোরের ভয়ে ঘর খালি রাখব সেটা তো কোন সমাধান নয়। একই সাথে চুরিটা ঠেকানোর ব্যবস্থা করুন তাতে তো কেউ বাধ সাধছে না। আমি মনে করি চালকদের নেশা সড়ক দুর্ঘটনার পেছনে একটি অন্যতম প্রধান কারণ। দুর্ভাগ্যজনক ভাবে কেউ এটা এড্রেস পর্যন্ত করছে না। আমি মনে করি এটাকে একটা অন্যতম প্রধান কারণ বলে চিহ্নিত করা উচিৎ।

বাংলাদেশের সড়ক দুর্ঘটনা রোধে গাড়ী চালকদের মানসিক সুস্থতার সনদ বাধ্যতামূলক করুন সেই সাথে একটি গ্রহণযোগ্য সময় পর পর সুস্থতার ছাড়পত্র গ্রহণ বাধ্যতামূলক করুন। একই সাথে এমন ব্যবস্থা করুন যাতে যে কোন যাত্রী চালকের কাছে তার স্বাস্থ্য সনদ দেখতে চাইতে পারেন। একটু শক্ত মনিটরিং করুন, সড়ক দুর্ঘটনা হয়ত অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

kmgmehadi@gmail.com