ক্যাটেগরিঃ পাঠাগার

1b9b524500000578-3564213-image-a-9_1461865889745

ছাগল এখন আর ছাগল নেই। শব্দটা ছাগুতে পরিণত হয়েছে। আর সেই ছাগু বলতে আবার একটি বিশেষ গোষ্ঠীকে বোঝানো হয়। যা তাদের জন্য অবশ্যই অবমাননাকর। এর থেকে উত্তরণের কি উপায়? অবশেষে এগিয়ে এসেছে আমাদের শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তারা এর থেকে উত্তরণের দারুণ এক পথ বাতলেছে। ছাগল নামে পরিচিত জন্তুটার আরো একটি নাম বা ছাগলের আরো একটি প্রতিশব্দকে ব্যবহার করলেন। এখন তারা সেই জন্তুটিকে চেনাতে চাইছেন ‘অজ’ বলে। সে মতে তারা এখন শিশুদের শেখাতে চাইছেন, ‘অ’ তে ‘অজ’।

এতে করে এই শিশুরা যখন একটু বড় হয়ে ছাগু শব্দের সাথে পরিচিত হবে তখন তারা আর তার মর্মার্থই উদ্ধার করতে সক্ষম হবে না। কাজেই ভাই সকল তোমরা এখন তাদের যতই ছাগু বলে সম্বোধন কর না কেন তাতে আগামী প্রজন্মের কাছে তাহাদের লজ্জিত হবার কোন কারণ থাকবে না।

অতএব ‘অ’ তে অজগর বাদ দিয়ে ‘অজ’ শেখানোটাই কি অধিকতর যৌক্তিক নয়? একই সাথে শত বছরের ভুল(!) থেকে বেরিয়ে আসার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ও প্রশংসার দাবীদার। কেননা তারাই প্রথম উপলব্ধি করতে পেরেছেন যে, একটি শিশুকে প্রথমেই একটি ভয়ঙ্কর প্রাণীর সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়ার থেকে একটি নির্বোধ প্রাণীর সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়াই উত্তম!