ক্যাটেগরিঃ প্রশাসনিক, ফিচার পোস্ট আর্কাইভ


ঢাকায় অসংখ্য ফুটওভার ব্রিজ থাকলেও তার খুব কম সংখ্যকই যথাযথ ব্যবহার হয়।  হাতেগোনা কয়েকটি আছে যার শতভাগ ব্যবহার হয়। অর্থাৎ একজন মানুষও ফুটওভার ব্রিজ ছাড়া রাস্তা পার হন না। তারই একটি হল শ্যাওড়া বাসস্ট্যান্ডের ফুটওভার ব্রিজটি। দুইদিন আগে হঠাতই এর ব্যবহারকারীরা দেখতে পেলেন ব্রিজটি হাওয়া হয়ে গেছে অর্থাৎ খুলে নেয়া হয়েছে।

যারা এই রাস্তায় চলাফেরা করেন তারা জানেন বারিধারা ডিওএইচএস, জোয়ার সাহারার কত কত মানুষ এই ফুটওভার ব্রিজটি ব্যবহার করতেন। শ্যাওড়া বাসস্ট্যান্ডের এই ফুটওভার ব্রিজটি বহু পুরাতন এবং বহুল ব্যবহৃত। তাছাড়া এই স্ট্যান্ডটি এমনিতেও বেশ দুর্ঘটনাপ্রবণ। এমন একটি স্থানের একমাত্র ফুটওভার ব্রিজটি কোনো বিকল্প ব্যবস্থা না করেই কেন বিনা নোটিসে সরিয়ে নেয়া হল?

বলা হচ্ছে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ শুরু হয়ে যাওয়ায় এটি দ্রুত সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজটা যে এ সময় শুরু হবে তা কি কর্তৃপক্ষ জানতেন না? কেন তারা প্রকল্পের নির্দেশনা অনুযায়ী পঞ্চাশ মিটার দূরত্বে প্রস্তাবিত ফুটওভার ব্রিজটি আগে স্থাপন করে নিলেন না?

সাধারণ মানুষের সুবিধা-অসুবিধার বিষয়টি যে এ দেশের প্রকল্প ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের কাছে কতটা গুরুত্ব পায় তা আমরা মগবাজার ফ্লাইওভার তৈরির সময়ই হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছি। এ দেশের প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ সাধারণের দুর্ভোগকে কখনোই আমলেই নেন না। এই সব সাধারণ মানুষের ভালমন্দে তাদের কি কিছুই আসে-যায় না?

একদিকে রাস্তায় মৃত্যুর মিছিল অন্যদিকে নিরাপদে রাস্তা পার হওয়ার জন্য এমন জনগুরুত্বপূর্ণ ব্রিজটি সরিয়ে নেওয়া – এর প্রতিকার কী?