ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

আমার প্রশ্ন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবকে, জনাব আপনার সুন্দর হাসিটি আজ আর ভাল লাগছে না।সেই সাথে আমাদের হতাশার মাত্রাও যারপরনাই বেড়ে যাচ্ছে। কথাগুলো বলছিও এ কারনেই। সুরঞ্জিত বাবুকে মওদুদ সাহেব ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিলেন। ২৪ ঘন্টার মধ্যে তিনি পদত্যাগ করলেন । এখন উনি সংবিধান শেখাচ্ছেন পুরো মন্ত্রীসভারই নাকি পদত্যাগ করতে হবে। মনে হয় উনারা কখনো ক্ষমতায় ছিলেন না। উনি ভুলে গেছেন ইঞ্জিঃ মোশাররফের কথা। এটা ওনার মুখে মানায়। আর তাই আমরা কিছু মনে করি না। আমরা কষ্টও পাইনা। আমরা কষ্ট পাই তখন। হতাশাগ্রস্ত হই তখন যখন আপনাদের মত লোকেরাও মওদুদ সাহেবদের দেখান পথে হাটেন। থাকেন তো সুবিধাভোগী দলীয় কর্মীদের ভিড়ে সাধারণের মনের খবর রাখেন না।

আমরা আপনাদের কিছু কথাকে মনে করি সোনার অলংকারে খাদ মেশানোর মত, যা ছারা অলংকার হয় না। কিন্ত তারও তো একটা মাত্রা আছে। সোনার অলংকারে যদি ছিঁটেফোটাও সোনা না থাকে তাহলে
তাকে কি বলব?

আজকে এ দেশে যে ক’জন নেতাকে মানুষ ভালবাসে, তারা ঐ খাদটুকু পরিমান মত দেয় বলেই। তারা নিজেদের অলংকৃত করতে মঝে মাঝে অনিচ্ছাকৃত হলেও কিছু তিক্ত সত্য বলেন। আপনি বললেন প্রধানমন্ত্রী সুরঞ্জিত বাবুকে প্রশ্রয় দেননি, আবার আপনিই বললেন মন্ত্রীসভার সবাই দুর্নীতিবাজ। এটা কি আপনার মুখে মানায়?

আমাদের কাছে সবথেকে খারাপ লাগে যখন এ ধরনের ঘটনা ঘটে। যার কারনে বড় বড় প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন হোচট খায়। দেশ ক্ষতিগ্রস্থ হয়। তখন আমরা কষ্ট পাই। আমরা হাসতে পারিনা, অথচ দেখি আপনারা খুশিতে হাত তালি দেন তখন আমাদের কেমন লাগে এটা কি আপনারা বোঝেন? আমাদের দেশে মিছিলে সেই লোকটিই মারা যায় যার বুকে পিঠে লেখা থাকে গনতন্ত্র মুক্তি পাক। সাধারন সেই লোকটি এর পরে অসাধারন হয়ে যায়।

যদি আগামীকাল সুরঞ্জিত বাবুর এপিএস এর সেই গাড়িচালক “আর নেই” শুনতে পাই খুব বেশি লোক কি আশ্চর্য হবেন? কথা হচ্ছে এত কথা কেন বলছি, বলছি এ কারনে আপনারা অন্তত দেশের কথা ভাবুন। ক্ষমতার কথা নয়। আজ সুরঞ্জিত বাবুর নামে যে অভিযোগ, সেই একই অভিযোগ আপনাদের বিরুদ্ধেও কি নেই? আর কোনোটাই আমাদের কাম্য নয়। কারন আমাদের পরিচয় একটাই, আমরা জনসাধারন আর আপনারা রাজনীতিবীদ। দয়া করে এই পার্থক্যটা ঘুচিয়ে দিন।