ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

“ঢাকা, এপ্রিল ২৬ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় ‘আরো’ হরতাল দিয়ে দেশের মানুষকে জিম্মি না করার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের মুখপাত্র ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। “

খুবই ভাল কথা। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, ঠিকই বলেছেন হরতালে দেশের মানুষকেই জিম্মি করা হয় সরকারকে নয় কিন্ত যারা হরতাল আহবান করেন কেন যেন তারা তা কখনোই বুঝতে চান না। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, দয়া করে বলবেন কি যেহেতু আপনারা চাইলেই পারেন তবুও কেন হরতাল বন্ধের বিষয়-এ কোন আইন পাশ করছেন না? কারন কি এই যে, আপনারা ধরেই নিয়েছেন যে, আগামীতে আপনারাও হরতাল আহবান করবেন এবং জনদূর্ভো্গ সৃষ্টি করবেন। আর তাই যদি হয় তাহলে আর বি এন পি কে কেন দোষ দেয়া! আপনারা মানে “রাজনীতিবীদগন” যখন বলেন হরতাল গনতান্ত্রীক অধীকার। তখন যে প্রশ্নটা অনেক বড় হয়ে দেখা দেয় তা হল নাগরিক অধীকার বলতে কিছু আছে কিনা, থাকলে সেটা কি?

সরকার বলবে হরতাল আহবান করার মত পরিস্থীতি তৈ্রি হয়নি। বিরোধীরা বলবেন এ ছারা আর কোন পথ খোলা ছিল না। তার মানে উভয়ই হরতাল নামক সর্বগ্রাসি এই অস্ত্রটার বৈ্ধতা দিচ্ছে্ন। তাহলে এই হরতাল উপলক্ষে যে গাড়ীগুলো ভস্মিভূত হল, যে লোকগুলি নিহত হলেন তাও বৈধ! তাই নয় কি?

অর্থটা কি দাড়াল? “সরকার এবং সরকার বিরোধী দল এক কথায় রাজনীতিবীদদের জন্যই জনগন।” “জনগনের জন্য রাজনীতিবীদগন নন।” তাই যদি না হবে হরতাল নিয়ে একটি গনভোটের আয়োজন করুন। জনগনই সিদ্ধান্ত নেবে হরতাল থাকবে কি থাকবে না। কেন নিজেদের দোষী করবেন। আর আমরাই বা কেন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগব। অভিভাবক যদি দ্বায়িত্ব গ্রহন না করেন সাধারন কার কাছে আস্রয় চাইবে?