ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

“ক্ষ” ক্ষ’তে শিক্ষক। শিক্ষককে সন্মান কর। এই দিয়ে শুরু হাতে-কলমে শিক্ষার। তার মানে একটি শিশুর মানসপটে একে দেয়া হয় জগতের সবচেয়ে সন্মানিত একজন মানুষের মুখচ্ছবি। যিনি তার কোন স্বজন না হয়েও তার জীবনে সবথেকে বেশি প্রভাব বিস্তারে সক্ষম। আর এই প্রভাব বিস্তারকে বোধকরি সব মা-বাবাই স্বাগত জানান। শিক্ষকের আদর্শ বলে কথা।

সময় পাল্টেছে। মা-বাবাদের এখন বুঝি নতুন করেই ভাবতে হবে। আদর্শ শিক্ষকরা আজ রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষক খোঁজেন। তারা আজ নানা রংয়ে রঞ্জিত হয়ে আত্মপ্রসাদ লাভ করেন। আজ তাদের পেয়ে বসেছে পদ-পদবী আর ক্ষমতার নেশায়। যে নেশা আজ অন্ধকার করে দিচ্ছে আমাদের ভবিষ্যৎ। রাজনীতি আজ সুতিকাগার থেকে শুরু করে সর্ব্বোচ্চ বিদ্যাপীঠকে করে তুলেছে অস্থীতিশীল, রক্তে রঞ্জিত। মুখে গনতন্ত্রের ফেনা উঠালেও অন্তরে নেই ছিটেফোঁটা। কেউ কাউকে বিশ্বাস করেনা, সন্মান করে না। যে যার ইচ্ছেমত চলছে।

রুখবেটা কে? সরিষার মধ্যেই তো ভুত। আমাদের নেতারা মনে প্রানে বিশ্বাস করেন অঙ্গসংগঠন ছারা তাদের অস্তিত্ব বিপন্ন। আর তাই যত পার শাখা বিস্তার কর। আর এদেরকে যখন ব্যবহার করতেই হবে, স্বাভাবিকভাবেই পৃষ্ঠপোষকতা করতে হবে। সেটা কি করে সম্ভব? এত অর্থের যোগান কোথা থেকে আসবে? উপায় একটাই। আর তা হল ওদের ব্যবস্থা ওরাই করবে; শুধু চোখ কান বুঝে থাকতে হবে। ফল যা হবার তাই। আজকের বাংলাদেশ। যা সোনা থেকে তামায় পরিনত হচ্ছে। মুক্তির উপায় হয়ত একটাই, আসুন আমরা এরপরের নির্বাচনে শুধুমাত্র তাকেই ভোট দেব। যে আমাদের সকল অঙ্গসংগঠন বিলুপ্তির ঘোষনা দেবে। শুধুমাত্র এই সংগঠনগুলোর উপর থেকে যদি আমাদের নেতৃবৃন্দ তাদের আশীর্বাদের হাতটা সরিয়ে নেন। তাহলে সকল শিক্ষাকার্যক্রম বন্ধ করে শিক্ষকদের আন্দোলন করতে হবে না, কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস আর অস্থীতিশীল হবেনা, কথায় কথায় ভাংচুর বন্ধ হবে, অফিসে না এসে বেতন নেয়া, সবধরনের টেন্ডারবাজী বন্ধ হবে। এককথায় সোনার বাংলা কথায় নয় বাস্তবে রুপ নিবে। নিশ্চয়তা চান? ১/১১ পরবর্তী সময়টা একবার ভাবুন। তাদের ব্যর্থতা যতই থাকুক উপরোক্ত সমস্যাগুলো অনেকাংশেই হ্রাস পেয়েছিল। ভেবে দেখবেন কি মাননীয় নেতৃবৃন্দ।