ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

২৯ এপ্রিল “ইলিয়াস আলিকে পাওয়া যাক বা নাই যাক বিএনপিকে থামতে হবে।” শিরোনামে একটি ব্লগ লিখেছিলাম আজ মনে হচ্ছে বিএনপির থামতে যতটা সময় লাগবে বলে ভেবেছিলাম সময়টা বোধকরি আরো কমই লাগবে। আওয়ামি লীগ গর্ব করে সব সময়ই একটা কথা বলে। আর তা হল আন্দোলন কিভাবে করতে হয় তা সবথেকে তারা ভাল জানে। এটা কোন গর্বের বিষয় কিনা তা আমি জানি না। তবে তাদের দাবীটাকেও নাকচ করতে পারছি না। ঐ ব্লগে লিখেছিলাম। বিএনপি কি এবার ভূল চাল দিল? কেননা অনেক জনগুরুত্বপূর্ন বিষয়কে বিবেচনায় না নিয়ে এমনই একটি বিষয়কে এতটা প্রাধান্য দিয়েছেন। যে ক্ষেত্রে জনসম্পৃক্ততার সূযোগ তুলনামূলকভাবে কম। এ ইস্যুতে তাদের যে চলমান আন্দোলন তা তাদের লক্ষে পৌছাতে সক্ষম হবে কিনা সে সন্দেহও পোষন করেছিলাম। ইলিয়াস আলী ইস্যু জনমনে যে সহানুভূতির উদ্রেক করেছিল। বিএনপির এই ধরনের টানা আন্দোলন সে সহানুভূতির মাত্রাকে নিম্নমুখী করেছে। তাছাড়া এতটা জ্বালাও পোড়াও আন্দোলন সাধারন মানুষের মেনে নেয়ার কথাও নয়।

সরকারের নাটক হোক আর যাই হোক সচিবালয়ে ককটেল বিস্ফোরন সরকারের কঠোর হওয়ার নৈ্তিক ভিত্তি এনে দিয়েছে। এখন দেখার বিষয় এই অবস্থাকে বিএনপি কতটা কূশলী হতে পারে। এবং কিভাবে এর মোকাবিলা করে। তবে সাধারন মানুষের একজন হিসাবে আমরা চাই সব ধরনের অস্থিতিশীলতা মুক্ত সহজ-স্বাভাবিক জীবন। রাজায় রাজায় যুদ্ধে প্রজাদের প্রান যায় যায়। এমন পরিস্থিতি যাতে সৃষ্টি না হয়। সেই সাথে এও কামনা করছি এই ইস্যুটির সুন্দর পরিসমাপ্তি ঘটুক।