ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

বর্তমান সরকার কি ক্রমশঃ বন্ধুহীন হয়ে পড়ছে? অবস্থাদৃষ্টে কি তাই মনে হচ্ছে না? আওয়ামীলীগের ভিতর-বাহির সব জায়গাতেই কেমন যেন অস্থিরতা। কিছু কিছু নেতার আচরন দেখলে, তাদের কথাবার্তা শুনলে মনে হয়। তারা পূনরায় ক্ষমতায় আসার আগাম মেন্ডেট পেয়ে গেছেন। তারা কাউকেই ছেড়ে কথা বলছেন না। অথচ দেশের দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি, আইন শৃংখলার অবনতি, গ্যাস-বিদ্যুৎ পরিস্থিতি দিন দিন খারাপের দিকে যাচ্ছে এটা তাদের হিসাবের মধ্যে আছে বলে মনে হয় না। অথবা বর্তমান অবস্থাকে তারা ভালো বলেই ধরে নিয়েছেন। যে সুশিল সমাজ ছিল তাদের সবচেয়ে প্রীয়। এখন তারাই চক্ষুশূল।। অথচ এ দেশের সুশিল সমাজ সর্বদাই সাধারন মানুষের মুখপাত্র হিসেবে কথা বলেছে এবং এখোনো বলছে। যে কোন সরকার যদি তাদের কথা কানে নিতেন শুধুমাত্র তারাই নন এ দেশও উপকৃ্ত হত। একজন ডঃ ইউনুস নোবেল প্রাইজে ভুষিত হলেন। এ দেশকি সন্মানিত হয়নি? তাকে নিয়ে কেন এত কাদা ছোড়াছুড়ি? তিনি কিভাবে এটা হাসিল করলেন তার পোষ্ট মর্টেম করা এই সরকারের জন্য কি খুব জরুরী। এতে কে বা কারা লাভবান হল? আর কেই বা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে? আজ গ্রামীন ব্যাংকের কৃতিত্বের দাবী করছে সরকার। অথচ এ দেশের সরকারী মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলির কি হাল তা আমরা সবাই জানি। ক্ষমতা কি সবাইকেই অন্ধ করে দেয়? চোখ বুঝে থাকলেই প্রলয় বন্ধ থাকে না। আমাদের বড় দুই রাজনৈতিক দল এমন কোন আদর্শ স্থাপন করতে পারে নি যাতে এ দেশের জনগন আনন্দচিত্তে তাদের জয়যুক্ত করতে পারে শুধুমাত্র বিকল্প না পেয়েই তারা খড়কুটো আকড়ে ধরে বাচার মত একেক সময় একেক দলকে বেছে নেয়। তারাও জানে এ ছাড়া এ দেশের মানুষের আর কোন গতি নেই। আর তাই তারা তাদের মতোই। ভাবলেশহীন, একগুয়ে, অনমনীয় এবং সর্বাবস্থায় সঠিক।

আসলেই কি তাই? এ দেশের জনগনের কোন গতিই নেই। ইতিহাস কিন্ত তা বলেনা। আর ঐটুকুই এখন সান্ত্বনা। যদিও আমাদের রাজনীতিবীদগন তার থোরাই কেয়ার করে।