ক্যাটেগরিঃ নাগরিক আলাপ

 

আমরা কার কাছে যাব? না কি শুধু পড়ে পড়ে মার খাব?

ছাত্র নামধারীদের তান্ডব বন্ধ করা যাবে না। এমনকি কিছু বলাও যাবে না তাদের, কারন তারা রাজনৈতিক দলের কর্মী। নেত্রীর আশীর্বাদপুষ্ট। এবং আগামীর কর্ণধার।
গাড়ী চালকদের বেপরোয়া কার্যকলাপ চলতেই থাকবে এবং গাড়ী চাপায় মানুষ মারা যেতে থাকবে। সাবধান, তাদেরকে খুনী বলাও যাবে না। এটা তাদের নেতা আর আমাদের মহামান্য নৌ পরিবহন মন্ত্রী মহোদয়ের নির্দেশ। (যদিও এক চালক যখন নৌ পরিবহন মন্ত্রীর গাড়িটাকেই ধাক্কা দিল তখন তিনিই আবার তার বিচার দাবী করেন)। তার উপর আবার আছে রাজনৈ্তিক দলের আশির্বাদ।

হত্যা-গুম হবে। হতেই থাকবে। মন্ত্রী মহোদয় আল্টিমেটাম দিবেন। এক সময় আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বলবেন চেষ্টার ত্রুটি ছিল না, তবে আমরা সফলতা লাভ করতে পারিনি। সহজ সরল স্বীকারোক্তি যাকে বলে আরকি। পোয়াবারো সন্ত্রাসীদের। আচ্ছা বলুন তো রাষ্ট্র যদি তার নাগরিকের নিরাপত্তাবিধান করতে অপারগ হয়। তাকে কি বলা যায়?

আমাদের একটি নির্বাচিত সরকারই শুধু নয় নির্বাচিত বিরোধীদলও রয়েছে। যদিও তারা শুধুমাত্র তাদের রাষ্ট্র কর্তৃক নির্ধারিত সুযোগ সুবিধা রক্ষার্থেই প্রক্সি সর্বস্ব সংসদে যান। তারপরেও তাদের কাছে যে যাব তারই বা কি উপায়? তাদের যত আন্দোলন তার মুলে থাকে-সামনে বসতে দাও, মামলা তুলে নাও, বাড়ি ফেরৎ দাও, নির্বাচন কমিশনার পাল্টাও(যদিও তার অধীনে নির্বাচনও করেন, নির্বাচিত হন এবং নেত্রী কর্তৃক বিজয়মাল্যে ভুষিত হন) তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা কর, আমাদের নেতাকে ফেরৎ দাও আরো কত কি শুধু আমি-আপনি বা আমাদের আম জনতার কোন দাবী তাদের নোটবুকে নাই।

যাবটা কার কাছে? উত্তর দেন না ভাই।

বিদ্যুৎ নাই, গ্যাস নাই, জীবনের নিরাপত্তা নাই, স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি নাই, হত্যাকারীর খোঁজ নাই, মামলার অগ্রগতি নাই, সত্যভাষণ নেতা নাই, এ কেমন নাইয়ের দেশ রে ভাই। নাইয়েরও তো কোন শেষ নাই।

বিঃদ্রঃ ভুলে গিয়েছিলাম পাঠক, সাকিব আল হাসান এর সাথে আপনাদের কারো যোগাযোগের সু্যোগ থাকলে একটু সাবধান করে দিবেন যাতে একটু বুঝে শুনে কথা বলেন। ডঃ ইউনুস’কে নোবেল এনে যে হেনস্থা হতে হচ্ছে। তাতে সেরা বাঙ্গালীর পুরস্কার এনে এই বেচারিকে না জানি কি শুনতে হয়। তার পাশে তো আর হিলারিও নেই।