ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

কৃষক, জেলে, তাঁতি, শ্রমিক, কর্মজীবী, পেশাজীবী, আলেম-ওলামা, বার কাউন্সিল, ছাত্র সমাজ এমনকি শিক্ষক- সাংবাদিক পর্যন্ত আজ মুলত দু’টি ভাগে বিভক্ত। সমাজের এমন কোন স্তর নেই যাকে রাজনীতিবীদগন বিভক্ত করে রাখেনি। কেন এই বিভক্তি? এতে কারা লাভবান হল? তা আজ সহজেই অনুমেয়।

লাভবান যদি হয়ে থাকেন তা রাজনীতিবিদগণ হয়েছেন। আর এই সব দলাদলিতে যুক্ত, ফ্রন্ট লাইনাররা হয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে দেশ। একটি ঘরে যদি পাঁচটি সন্তান থেকে থাকে আর গৃহকর্তা যদি কোন একজনের প্রতি পক্ষপাতিত্ব করেন তখন অন্যান্যরা তার শত্রু হয়ে যান। আর সেও তখন তার ক্ষমতার প্রভাব দেখাতে শুরু করেন। ফলে শুরু হয় ক্ষমতার দ্বন্দ্ব। নষ্ট হয় পরিবারের শান্তি ও স্থিতিশীলতা। অথচ এর কোন প্রয়োজনই ছিল না। গৃহকর্তা, তার পরিবারের সব সদস্যকে একই দৃষ্টিতে দেখবেন এটাই স্বাভাবিক। যখনই তার অন্যথা হয় তখনই সমস্যার সৃষ্টি হয়। আজ আমরা ইচ্ছে করলেই কোন ইস্যুতে একতাবদ্ধ হতে পারছি না। যদিও বা হই একজন ওৎ পেতে থাকেন আন্দোলনের পৃষ্ঠে ছুরিকাঘাত করার উদ্দেশ্যে। তিনি আর কেউ নন অঙ্গসংগঠনের বেনিফিসিয়ারি। আর তাকে চালনা করছেন কে বা কারা তা বলাই বাহুল্য।

এখন কথা হচ্ছে আমরা কেন ব্যবহার হচ্ছি। এটা কি শুধুই বোঝার ভূল? নাকি আদর্শগত বিভেদ। না লোভ আমাদের তাড়িত করে ভেড়ায় কোন না কোন দলের ছত্র ছায়ায়। যে কারনেই হোক না কেন। এই বিভক্তিই ডেকে আনছে চরম সর্বনাশ। আদর্শগত বিভেদ থাকতেই পারে; কিন্ত সবার উপরে আমার এ দেশ। এ দেশের সামান্যতম ক্ষতি কোন দলের স্বার্থ রক্ষার্থে মেনে নেয়া যায় না। এই বোধটুকু আমাদের রক্ষা করতে পারে সমূহ বিপদ থেকে।