ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

বহুদিন পরে তাদের একই সুর। কি যে ভাল লাগছে তা বোঝাবার নয়। আমরা ধন্য । আমরা গর্বিত। জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে(?) তারা আজ একই কাতারে দাঁড়িয়ে একই সুরে গাইলেন দেশ রক্ষার গান। এটা কি অভাবনীয় নয়? তারা গাইলেন, বিচার বিভাগ সাবধান!!!

কি অদ্ভুত আমাদের নেতারা। কত সহজেই স্বার্থ তাদের এক কাতারে দাঁড় করিয়ে দেয়। মাননীয় বিচারক মহোদয় কি জেনেশুনেই মৌচাকে ঢিল দিলেন ? নাকি অভ্যাসগতভাবে তীর ছুড়েছেন কিন্ত তীরটি দিকভ্রান্ত হয়েছে। যদি তাই হয় তাহলে তাদের এই অভ্যাসটা কিভাবে হল? বিচার বিভাগের ঘাড়ে বন্ধুক রেখে কাহাতক নিজেদের ইচ্ছা পূরন করবেন? কম তো হলনা। এবার কিছু তীরকে নিজেদের বুকে এসে বিঁধতে দিন। এত কেন জ্বলছে? আরে কাদের কি বলছি? তারা তো রাজনীতিবীদ। সবার উপরে যাদের স্থান। তারা কি আর সইতে পারে কারো চোখ রাঙ্গানি। পারেন না। আর এই না পারার দলে যে সবাই শামিল তাও বুঝিয়ে দিলেন ঐ কোরাস গেয়ে। কেউ কেউ একে ক্ষমতার যুদ্ধ বলছেন। আমার ক্ষুদ্র মস্তিস্ক তাতে কিছুতেই সায় দিচ্ছে না। বরং অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে যুদ্ধ তো নয়ই এ বড় বেশি একপেশে এক খেলা হয়ে গেল। কারন বিচার বিভাগ তাদের পাশে কাউকেই আর দেখছেন বলে মনে হয় না। এ দেশের ক্ষমতার মুকুট তো ঘুরে ফিরে ঐ আওয়ামী লীগ নয় বিএনপি্র মাথায়ই শোভা পাবে। অতএব কারো বিরুদ্ধে কিছু বলতে গেলে তাদের কোন একদলকে পাশে পেতেই হবে। কিন্ত বিএনপি নেতারা যেভাবে প্রতিক্রিয়া দেখালেন তাতে তারাও যে কতটা বিরূপ তা নিশ্চয়ই বিজ্ঞ আদালত ইতিমধ্যেই বুঝে গেছেন। অতএব যাও বা ভরসা ছিল বুঝিবা আজ তাও গেল। মাননীয় উপদেষ্টা বলেন রেন্টাল পাওয়ার বিরোধীরা নাকি সরকার বিরোধী নয়ত দেশবিরোধী, বলতে গেলে কিছু না বলেই আব্দুল্লাহ আবু সাঈদ স্যার তার জীবনের সেরা পুরস্কারটাই(?) পেলেন।

তাহলে রাজনীতিবিদদের আসল প্রতিপক্ষটা কে? এখন এ প্রশ্নটাই বড় হয়ে দেখা দিয়েছে।