ক্যাটেগরিঃ প্রযুক্তি কথা

তারিখ: ১৬ই-ফেব্রুয়ারী-২০১২ইং

অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে “উইন্ডোজ” অপারেটিং সিস্টেম কে আমি “খিড়কী” বা “জানালা” নামে ডাকতেই স্বাচ্ছ্যন্দবোধ করি। আমার এ লেখায়ও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। ব্যক্তিগতভাবে কেউ যদি লেখাটা পড়ে আহত হোন বা কষ্ট পেয়ে থাকেন তো সেইজন্যে আমি আন্তরিকভাবেই দুঃখিত। কিন্তু করার ও তো কিছু নেই। আমার লেখায় যদি আমিই শান্তি না পাই তো লিখবো কি করে‍‍? এই কাজটুকু করাই হতো না যদি না “প্রজন্ম ফোরাম” আর “উবুন্টু বাংলাদেশ” এর মেইলিং লিস্টে কিছু মানুষের ভুল ধারনা কে ভেঙ্গে দিতে কিছু কঠিন মন্তব্য না করতাম আর সেখানে আমাদের গৌতম দা আমাকে এই বিষয়ে বিশদভাবে লেখার জন্য উৎসাহ না দিতেন। গৌতম রয় কে অসংখ্য ধন্যবাদ আমার ভেতরের আমি কে টেনে-হেঁচড়ে বের করে নিয়ে আসবার জন্য।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ এই লেখাটি আমি পর্ব আকারে বিগত ২৯শে ডিসেম্বর থেকে পরবর্তী প্রতিটি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে প্রকাশ করে আসছিলাম। হৃদযন্ত্রে গোলোযোগ আর মস্তিষ্কের জমাট বেঁধে থাকা রক্তের কারনে শারীরিকভাবে কিছুটা দূর্বল থাকায় কিছু পর্বের লেখা, আমি পূর্বের স্বনির্ধারিত সূচী অনুযায়ী প্রকাশ করতে পারিনি। বর্তমান অবস্থাও ততটা সুখকর নয়, তবুও চেষ্টা করবো ইনশাল্লাহ লেখার বাকী পর্বগুলো অতিশীঘ্রই প্রকাশ করতে। আজ প্রকাশিত হলো লেখার ষষ্ঠ পর্ব। অষ্টম পর্বে লেখার উপসংহার প্রকাশ করার ইচ্ছে রয়েছে। আপনার আগ্রহ থাকলে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম পর্বের লেখাগুলো একটু সময় করে পড়ে নিতে পারেন।

আজকের লেখায় আমি, মাইক্রোসফট কর্তৃক ৬। ডিজিটাল রেষ্ট্রিকশন ব্যবস্থাপনার বলপূর্বক প্রয়োগ (Enforcing DRM) নিয়ে যথা সম্ভব সহজ এবং বোধগম্য ভাষায় কিছু বিষয় সকল প্রযুক্তিপ্রেমিক আর প্রযুক্তি পন্যের ব্যবহারকারীদের সামনে তুলে ধরতে চেষ্টা করছি। আশা রাখি আজকের এ পর্বের লেখার মাধ্যমে কিছু বিষয়ে আপনাদের মনে সচেতনতা সৃষ্টি করতে পারবো এবং সেটা চিরস্থায়ী রূপে আগামীতে প্রযুক্তি জীবনের পথ চলায় আপনার পাথেয় হবে।

প্রযুক্তির দুনিয়ায় “ডিজিটালাইজেশন বা ডিজিটাল ইজি লাইফ” কি? আপনার পরিচিত/আপনজন/পাড়া প্রতিবেশীদের ছোট্ট শিশুদের সাথে নিশ্চয়ই আপনার সখ্যতা আছে? কিংবা যদি এভাবে বলি যে পাড়ার ছোট্ট শিশুরা আপনাকে খুবই ভালোবাসে কিংবা আপনি তাঁদেরকে খুবই পছন্দ করেন তো বিষয়টা কি খুব খারাপ বলা হয়? নিশ্চয়ই না। ঠিক তেমনি আপনার বাসার টেলিভিশন কিংবা ক্যাবল চ্যানেলে আপনার পছন্দের অনুষ্ঠানটি যদি আপনি চান যে রেকর্ড করে রাখবেন পরবর্তীতে সময়-সুযোগ করে আরামসে দেখবেন বলে সেইটাও যৌক্তিক। আর যদি এই দুটো কাজ — ১. ছোট্ট শিশুদের ভালোবাসা পাওয়া কিংবা দেয়া এবং ২. আপনার পছন্দের কোন কাজ আপনার মতো করে করতে পারা, এগুলো হলো আপনার নৈতিক অধিকার এবং সেটাকে যদি প্রযুক্তির ভাষায় অনুবাদ করি তো, ১. ছোট্ট শিশুদের ভালোবাসা পাওয়া কিংবা দেয়া == আপনার যে কোন প্রযুক্তি পন্যকে নিজ পছন্দ মতো ব্যবহার করতে পারা এবং ২. আপনার পছন্দের কোন কাজ আপনার মতো করে করতে পারা == আপনার কেনা প্রযুক্তিপন্য মেনে চলবে আপনার নির্দেশনা হিসেবে লেখা যেতে পারে। তখন এঁকে বলা হবে “ডিজিটালাইজড ইজি লাইফ” বা “প্রযুক্তির ব্যবহারে আনন্দময়/সহজ জীবন”।

প্রযুক্তির দুনিয়ায় “ডিজিটাল রেষ্ট্রিকশন ব্যবস্থাপনা” কি? কড়া তামাকের গন্ধ যদি হুট করে নাকে এসে লাগে তো নাক ও চোখের ভ্রু যেমনি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই কুঁচকে যায় ঠিক তেমনি একটা দশা হয় আমার এই প্রশ্নটার মুখোমুখি হলেই। অতি সহজে যদি বলি তো উপরোক্ত আপনার নৈতিক অধিকারগুলো যদি অনৈতিকভাবে কেড়ে নেয়া / বঞ্চিত করা হয় তো সেটাই “ডিজিটাল রেষ্ট্রিকশন ব্যবস্থাপনা” বা Digital Restriction Management (DRM). এবারে একটু ব্যাখ্যা করি। আপনার পছন্দ ছোট্ট শিশুদের সাথে সময় কাটানো, আর সেক্ষেত্রে যদি সেই শিশু/দের কে আপনার কাছে থেকে দূরে সরিয়ে দেয় সেই শিশুর অভিভাবক/আপনার অভিভাবক/অন্য কেউ তো সেটা আপনার মতে কতটা বিরূপ প্রতিক্রিয়া ফেলবে একবার ভাবুন তো? আবার যদি আপনার পছন্দের টেলিভিশন অনুষ্ঠানটা সময়ের অভাবে দেখতে না পারেন কিংবা সেটুকু পুষিয়ে নিতে আপনি যদি রেকর্ড করার সুবিধাটুকু সুলভ হবার পরেও ব্যবহার করতে না পারেন তো বিষয়টা কেমন হবে?

দুটো পরিস্থতিতেই আপনি আপনার অধিকার হারাবেন কিন্তু প্রতিরোধে আপনার কিছুই করার থাকবে না। এবং এই সুযোগে কেউ যদি আপনাকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখায় / আপনাকে এই সুবিধা পাইয়ে দেবার বিনিময়ে অনৈতিক কিছু সুবিধা দাবী করে তো সেটা দিতেও আপনি মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকবেন।

কিভাবে “ডিজিটাল রেষ্ট্রিকশন ব্যবস্থাপনা”র বলপূর্বক প্রয়োগ করা হচ্ছে? উপরের যতটুকু আলোচনা করলাম তাতে নিশ্চয়ই বিষয়টা এতক্ষনে আপনার মাথায় কুটকুট করে কামড়াচ্ছে আর সন্দেহ জাগছে যে এতগুলো দিনে আপনি কিভাবে প্রতারনা/প্রলোভনের নির্মম শিকার হয়ে এসেছেন। যদি তারপরেও নিজের মগজের তালা না খুলে থাকে তো জেনে নিন — মাইক্রোসফট তাঁর খিড়কী সিস্টেমের মিডিয়া সেন্টার ব্যবহারকারীদেরকে এনবিসি (NBC) টেলিভিশনের যে কোন অনুষ্ঠানই রেকর্ড করতে বাধা দিয়ে থাকে। এবং এই নিয়ে আইনগত মোকাবিলায় সে ভুলভাবে এফসিসি’র নিয়মের উপস্থাপন করে। পেছনের কারনটা ছিলো অবশ্য এনবিসি টেলিভিশনের সাথে মাইক্রোসফটের একটি গোপন চুক্তি যার মাধ্যমে এনবিসি’র অনুষ্ঠান রেকর্ডিংয়ে বাধা দানের মাধ্যমে মাইক্রোসফট একটা বিরাট অংকের মুনাফা লাভ করছিলো। অবশ্য মাইক্রোসফটের এই চক্রান্ত পরবর্তীতে আদালতে নস্যাৎ হয় এবং আদালত ব্যবহারকারীর অধিকার হরনে এফসিসি’র কোন এখতিয়ার নেই বলে মত দেন। এই ঘটনার বিস্তারিত জানতে চাইলে পড়ে নিন — http://gizmodo.com/391642/microsoft-will-totally-bork-your-media-center-dvr-if-nbc-or-anyone-asks-it-to

মাইক্রোসফটের আরেকটি ধোঁকাবাজি বা ফাঁকি দেয়া সেবা হলো মিউজিক স্টোর এবং এখানেও সেই সাধারন ব্যবহারকারীদের অধিকার অনৈতিকভাবে হরনের মনোলোভা পন্থা। আপনি যদি — http://www.pcpro.co.uk/news/245859/q-a-microsoft-defends-return-to-drm এখান থেকে একটু পড়ে নেন তো জেনে যাবেন যে মাইক্রোসফটের এই সার্ভিসটার উদ্দেশ্যই ছিলো কিভাবে সহজে একজন ব্যবহারকারীকে বোকা বানানো সম্ভব। উন্নত বিশ্বে এবং বর্তমানে আমাদের এই অর্থনৈতিকভাবে দূর্বল দেশগুলোতেও একজন মুঠোফোনের ব্যবহারকারী সাধারনত প্রতি ছয় মাস অন্তরই হ্যান্ডসেট পাল্টে থাকেন। আর ঠিক এই সুযোগটা নিতেই মাইক্রোসফট এই সেবার নামে ধোঁকাবাজি চালু করে এবং এমন একটা ব্যবস্থা করে রাখে যেনো একটা হ্যান্ডসেটের মাধ্যমে ডাউনলোড করা সংগীত অন্য আরেকটি হ্যান্ডসেটে চলতে না পারে। তারমানে একই গান আপনাকে হয় প্রতিবার হ্যান্ডসেট পাল্টে ফেলার সাথে সাথেই পুনরায় ডাউনলোড করতে হবে অথবা সেই গানটাকে চিরতরে হারাতে হবে। অন্যথায় আপনি চাইলেও আপনার পছন্দের একটা গানের কাছে আটকে থেকে আপনার হ্যান্ডসেট ব্যবহার অনুপযোগী হবার পরেও পরিবর্তন করতে পারবেন না।

এই জোরজবরদস্তি যে শুধু মাইক্রোসফট সাধারন ব্যবহারকারীদের সাথেই করেছে এমনটা নয়। ওঁর নিজের তৈরী জুন প্লেয়ার (Zune Player) টিতেও সে এমন ব্যবস্থা করে রাখে যেনো সেটা মাইক্রোসফটের অনুমোদনবিহীন কোন সাইট থেকে গান/সংগীত নামিয়ে চালাতে না পারে। ফলে এমটিভি’র মতো প্রতিষ্ঠানকেও বাধ্য করা হয় মাইক্রোসফটের সাথে চুক্তিতে আসতে যেনো তাঁদের গান/মিউজিক ভিডিও জুন প্লেয়ারে চলতে পারে। আরো বিস্তারিত জানতে ঘুরে আসুন — http://www.eff.org/deeplinks/2006/09/microsofts-zune-wont-play-protected-windows-media

মাইক্রোসফট তাঁর জুন প্লেয়ারে ভাইরাল ডিআরএম (Viral DRM) নামক একটা প্রযুক্তি ব্যবহার করে। ফলে ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের অধীনে যেসব মিডিয়া রিলিজ বা উন্মুক্ত করা হয়েছে সেগুলো যদিও সর্বসাধারনের সাথে শেয়ারযোগ্য তবুও জুন এবং মাইক্রোসফটের মিডিয়া ডিকোডার কপিরাইটেড করে নেয়, যেটা ক্রিয়েটিভ কমন্স চুক্তি/নীতির সম্পূর্ন লংঘন। ফলে আপনি চাইলেও আপনার কোন সৃষ্টিকে আর উন্মুক্ত করে দিতে পারবেন না যদি আপনি চান যে সেটা উইন্ডোজের মিডিয়া সার্ভারে স্ট্রিমিং কিংবা জুন প্লেয়ারে শোনাবার উপাযোগী করা হোক। আরো বিস্তারিত পাবেন — http://www.gearsandwidgets.com/2006/09/15/zunes-viral-drm-wraps-your-personal-content-in-microsoft-drm/

বিএমজি (BMG) মিউজিকের সাথে যৌথচুক্তিতে এসে মাইক্রোসফট রুটকিট (Rootkit) নামক ডিআরএম বা “ডিজিটাল রেষ্ট্রিকশন ব্যবস্থাপনা”র বলপূর্বক প্রয়োগ করে অডিও সিডি সমূহে। ফলে যদিও সিডিগুলো কপি করা থেকে রহিত করা সম্ভব হয় তবুও তাতে করে সিস্টেমে ঝুঁকিপূর্ন সফটওয়্যারের অবৈধ ইন্সটলেশন ও অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের পথটাও উন্মুক্ত হয়। কেননা রুটকিট প্রযুক্তির ব্যবহার করে বহিরাগত কোন ব্যবহারকারী বা প্রতিষ্ঠান আপনার সিস্টমের নিয়ন্ত্রন আপনার কাছ থেকে নিয়ে নিতে পারে। যার অর্থই হলো আপনার নিজস্ব জীবনাচরনের উপরে অনৈতিক হস্তক্ষেপ। আর জানতে পড়তে পারেন — http://www.f-secure.com/weblog/#00000691

এই যে ঘটনাগুলোর উল্লেখ করলাম সেগুলো যে ঘটেছে এবং ঘটছে তাঁর প্রমান আপনি অনলাইনে ঢুঁ মারলেই পেয়ে যাবেন। এগুলো কি অনৈতিকভাবে আপনার স্বাধীনতা বা পছন্দ-অপছন্দের উপরে হস্তক্ষেপ করা নয়? এগুলো কে কি এখনো আপনি স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবেই নেবেন। নাকি একজন সচেতন প্রযুক্তি ব্যবহারকারী হিসেবে বলবেন — “ডিজিটাল রেষ্ট্রিকশন ব্যবস্থাপনা”র বলপূর্বক প্রয়োগ

বদ্ধ ঘরের এই তালা ভাঙবার উপায় কি? এগুলোকে প্রতিরোধ করতে হলে আপনাকে নিজেকেই নিজেকে জাগ্রত রাখতে হবে, পড়তে হবে, জানতে হবে, শিখতে হবে, বুঝতে হবে। প্রযুক্তির দুনিয়ায় ঝিমিয়ে বা ঘুমিয়ে থাকার কোন অবকাশ নেই। যদি সেটা করেন তো নিজেই নিজের বিপদ ডেকে আনবেন। আপনাকেই ঠিক করতে হবে যে আপনার কি করনীয়। মুক্ত প্রযুক্তির দুনিয়ায় বিচরনে অভ্যস্ত হতে হবে। স্বাধীনভাবে সবাই বাঁচতে শেখে না (উদাহরন স্বরুপ বলা যেতে পারে বাবুই আর চড়ুই পাখির জীবনধারন)। যদি আপনি প্রযুক্তির জগতে বন্ধন মুক্ত জীবন পেতে চান তো স্বাধীন আপনাকেই হতে হবে, কেউ এসে করে দিয়ে যাবে না। বর্তমানে সুলভ সুবিধায় কিঞ্চিৎ ছাড়, কিঞ্চিৎ অতিরিক্ত শ্রম আর সুদৃঢ় মনোবলই পারবে প্রযুক্তির দুনিয়ায় আপনাকে মুক্ত ও স্বাধীন করতে আর সেই স্বাধীনতা সুরক্ষা করতে। আমি যে এই ছয়টি পর্ব ধরে লেখার মাধ্যমে চিল্লা-ফাল্লা করেই যাচ্ছি তাঁর প্রধান কারন একটাই – “মুক্তি” বা “স্বাধীনতা”। যদি নিজের প্রযুক্তির জীবনকে স্বাধীন রাখতে চান তো আজই “খিড়কী”র দুনিয়া ছেড়ে বেরিয়ে আসুন “উন্মুক্ত প্রযুক্তির, মুক্ত দুনিয়ায়”।

আমি নিজে এই “স্বাধীনতা”র স্বাদ পেয়েছি আর তাতে বেশ স্বাচ্ছ্যন্দে আর আনন্দেই আছি। এখন নিজের অর্জিত জ্ঞানটুকু দিয়ে সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে আপনাদেরকেও আহবান করছি “উন্মুক্ত প্রযুক্তির দুনিয়ায়”। এই ডাকে সাড়া দেয়া বা না দেয়া সম্পূর্নই আপনার বিবেচনা। তবে হ্যাঁ আগামীতে আর কখনোই একথা বলতে পারবেন না যে —

“স্বাধীনতার আহ্বান কেউ করেনি, বাড়ায়নিকো হাত,
কপাল খুঁটে মরতে হলো, ছিলো লিখন ললাট।”

বাঁচতে হলে জানতে হবে, শিখতে হবে, বুঝতে হবে (পর্ব – ৭) প্রকাশিত হবে আগামী ২৭শে ফেব্রুয়ারী ২০১২ইং, সোমবার রাত্রে।

বাঁচতে হলে জানতে হবে, শিখতে হবে, বুঝতে হবে (পর্ব – ১) প্রকাশিত হয়েছিলো বিগত ২৯শে ডিসেম্বর ২০১১ইং, বৃহস্পতিবার রাত্রে।
বাঁচতে হলে জানতে হবে, শিখতে হবে, বুঝতে হবে (পর্ব – ২) প্রকাশিত হয়েছিলো বিগত ৫ই জানুয়ারী ২০১২ইং, বৃহস্পতিবার রাত্রে।
বাঁচতে হলে জানতে হবে, শিখতে হবে, বুঝতে হবে (পর্ব – ৩) প্রকাশিত হয়েছিলো বিগত ১২ই জানুয়ারী ২০১২ইং, বৃহস্পতিবার রাত্রে।
বাঁচতে হলে জানতে হবে, শিখতে হবে, বুঝতে হবে (পর্ব – ৪) প্রকাশিত হয়েছিলো বিগত ১৯শে জানুয়ারী ২০১২ইং, বৃহস্পতিবার রাত্রে।
বাঁচতে হলে জানতে হবে, শিখতে হবে, বুঝতে হবে (পর্ব – ৫) প্রকাশিত হয়েছিলো বিগত ৩১শে জানুয়ারী ২০১২ইং, মঙ্গলবার রাত্রে।