ক্যাটেগরিঃ অর্থনীতি-বাণিজ্য

গত পরশু 13.09.2011 আমাদের কোম্পানী থেকে ছুটিতে যাবে কয়জন বাংলাদেশী । প্রতিবার তাদেরকে সৌদি এয়ারলাইন্সের টিকেট কেটে দেই । তারা বেশ আরামে দেশে যায় এবং ফিরে আসে । সৌদি এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা বেশ ভাল এবং অনেক উন্নত মনের । প্রতিদিন বাংলাদেশে তাদের একটি করে ফ্লাইট আছে । অন্যান্য দেশের এয়ারলাইন্স গুলোর তুলনায় সৌদি এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা ভাল হওয়ায় এই ক্ষেত্রে তাদের লাভ হচ্ছে অনেক ।

বাবলাম প্রতিবার তো সৌদি এয়ারলাইন্স করে লোক পথই এবার অফিসে বলে দিলাম যেন বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের টিকেট দেওয়া হয় । তাতে বাংলাদেশের দুই পয়সা আয় হবে । যথারীতি টিকেট কেটে গত 13.09.2011 তারিখে বড় দুইটা ওদের ফ্লাইট । যথাসময়ে তাদের নিয়ে এয়ারফোর্ট গেলাম । বুকিং প্রদান করে বসে রইলাম । কিন্তু কিছুক্ষণ পর খবর এল আজকের নির্ধারিত ফ্লাইট যাচ্ছে না । সেই ফ্লাইট আজ 15.09.2011 সকাল সাতটায় (সৌদি সময় ) ছাড়ার কথা । এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এখনো যাত্রীরা এয়ারপোর্টে বসে আছে । এর আগে তাদের কে একদিন হোটেলে রেখেছে বিমান কতৃপক্ষ ।
এই যে বিমানের এই অব্যবস্থাপনা সেই সাথে ফ্লাইট জটিলতা এসব কারণে কেউ বিমানে চড়তে চায় না । বিমানের সেদিকে কোন খেয়াল আছে বলে আমার মনে হয়না । অন্যদিকে বিমানে সেবার মান খুব নিম্ন মনের ।

যেখানে অন্যান্য দেশের এয়ারলাইন্স গুলো অনেক মুনাফা করছে খুব সহজে , আর আমাদের বিমান নাকি ফি বছর লোকসান গুণে অনেক টাকা । এসব নিয়ে আর অনেক লেখা হয়েছে , কোনও প্রতিকার হইনি । তারপর ও লিখলাম । শুধু মাত্র সৌদি আরব থেকে বছরে যে পরিমাণ যাত্রী বাংলাদেশ আশা যাওয়া করে তাদের পরিবহন করতে পারলে বিমানের যে লাভ হতো টা দিয়ে প্রতি বছর বিমান তার উন্নয়নে আর অনেক কিছু করতে পারত । তবে যদি এমন দশা হয় তাহলে বিমানের কোন উন্নতি হবে না । আশা করি এই লেখা যদি কর্তৃপক্ষের কারো দৃষ্টিগোচর হয় তখন তিনি কোন ব্যবস্থা করবেন ।