ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

গতকাল ২০.১১.২০১১ সন্ধ্যায় রুমে বসে বাংলাদেশের খবর দেখছিলাম চ্যানেল আই’তে । একটি খবরে বেশ একটা ধাক্কা খেলাম । দুইজন ডাক্তার তার বাসায় এক শিশু কর্মীকে নির্যাতন করছে। এলাকা বাসী মেয়ের কান্না শুনে পুলিশে অভিযোগ করেন । এরপর পুলিশ সেখানে আসে । পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ফোনে কথা বলার পড় পুলিশ সেখান থেকে ফিরে যায় সমাঝোতার কথা বলে । এর কিছুক্ষণ পড় পুলিশ এসে সেই ডাক্তার গৃহকত্রীকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায় এবং আদালত ৫০০০ টাকা মুচলেকায় তাকে জামিন প্রদান করে । গৃহস্বামী একজন ডাক্তার এবং উনার স্ত্রী ও একজন ডাক্তার । দুইজন সচেতন নাগরিক বলা চলে ওদেরকে । তারাই যদি কাজের মেয়েকে অন্যায় ভাবে নির্যাতন করে তাহলে অন্যরা কী করবে?

কাজের মেয়েরা সব জায়গায় বেশিরভাগ নিগৃহীত । টিভিতে যখন মেয়েটির শরীরের নির্যাতনের চিহ্ন দেখাচ্ছিল তখন আমাকে আর সেই মহিলাকে ডাক্তার মনে হয়নি , মনে হয়েছে একজন শিশু নির্যাতন কারি। সেই কাজের মেয়েটির হাতের বিভিন্ন জায়গার চামড়া উঠে গিয়ে লাল মাংস দেখা যাচ্ছে বীভৎস ভাবে । কোথায় আমাদের মানবতা । আজ যদি নিজের সন্তান হত তাহলে কি এমন নির্যাতন করতেন তিনি । না তখন করতেন না । কারন নিজের সন্তানের জন্য অনেক মায়া লাগে । অন্যের সন্তানের বেলায় তা হয়না । সেই বাসার ডাক্তার তিনি বলেছেন আমি মাঝে মাঝে তাকে চড় থাপ্পড় দিতাম নিজের সন্তান মনে করে , ধরলাম তিনি তা করতে পারেন । কিন্তু উনার স্ত্রী যা করেছেন তা কি কোন সভ্য মানুষ করতে পারেন । তা আমার জানা নেই । কি ছিল তাদের শিক্ষা তা ও আমি জানি না । ছোট ছোট এসব কাজের মেয়েদেরকে নির্যাতন না করে পরিবারের সদস্য মনে করে আচরন করা উচিত বলে মনে করি । এরা ও তো কারো না কারো সন্তান ।তাহলে শিক্ষিত মানুষ সম্পর্কে এদের ভাল ধারনা আসবে । তা না হলে বর্বর মানুষ আর শিক্ষিত লোকের মাঝে যে পার্থক্য বিদ্যমান তা তাদের বোধগম্য হবে না ।