ক্যাটেগরিঃ অর্থনীতি-বাণিজ্য

 

গুচ্ছ প্রণোদনা ঘোষণার পরেও বড় দরপতনের ঘটনা ঘটল গতকাল । নানা পদক্ষেপের পরও এমন দরপতনের যৌক্তিক কোনো কারণ জানাতে পারেননি বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ মূল্যসূচক গতকাল ৩০৮ পয়েন্ট বা পৌনে ৬ শতাংশ কমে গেছে। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সূচক কমেছে প্রায় ৭৭৫ পয়েন্ট বা ৫ শতাংশ। একই সঙ্গে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ডিএসইতে ৯৭ শতাংশ এবং সিএসইতে প্রায় ৯৪ শতাংশ শেয়ারেরই দাম কমেছে।

সর্বশেষ ভরসা ছিল প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ । সেটা ও হল কিন্তু শেয়ার বাজার যেই তিমিরে ছিল সেই তিমিরেই রয়ে গেল । এই দশা থেকে মুক্তির উপায় এখন কার জানা নেই । ভেতরেই যদি কু থাকে , হাজারো সংস্কারে এই বাজার সঠিকভাবে চালু হবে কিনা সেই ব্যাপারে আশাবাদী এখন আর কেউ নাই । শেয়ার বাজারে ধ্বস নামে তবে সেটা সামান্য কিছুদিনের জন্য । আর আমাদের শেয়ার বাজারের করুন চিত্র আর পথে বসা বিনিয়োগকারীদের দেখলে বেশ আফসোস হয় । যেখানে স্বয়ং মন্ত্রীরা কিছু করতে পারছে না সেখানে আমাদের তো কিছুই করার নেই ।

প্রথমে যে জিনিসটা করা উচিত তা হল । ক্ষতিয়ে দেখা উচিত কেন বারবার এমন হচ্ছে । কি এর রহস্য? তখন হয়তো এই অবস্থা থেকে মুক্তির পথ খুঁজে নেওয়া যাবে । অসহায় সম্বলহীন মানুশগুলোর আহাজারি দেখে যে কারো কষ্ট লাগার কথা । এরা অনেকে আমাদের ভাই ,চাচা, আত্নিয় । ভালো ব্যাবসা দেখে এই খাতে বিনিয়োগ করে তাঁরা অনেকে আজ সর্বস্বান্ত । সরকার চেষ্টা করছে , কিন্তু মুল কারন এখন ও সনাক্ত করতে পারে নি ।

গতকালের দরপতনের জন্য কেউ কেউ অভিহিত মূল্য পরিবর্তনের কারণে শতাধিক কোম্পানির নগদ টাকায় লেনদেনের (স্পট মার্কেট ট্রেড) বিষয়টিকে বড় কারণ বলে মনে করছেন।প্রণোদনা ঘোষণার পরদিন গত বৃহস্পতিবারও বাজারে এর তেমন কোনো প্রভাব দেখা যায়নি। বরং দিনভর ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচকের ব্যাপক ওঠানামা ছিল। এসইসির নানামুখী প্রচেষ্টায় ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচকের স্থির অবস্থানের মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়। সূচক স্থির থাকলেও বৃহস্পতিবার লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের চেয়ে অর্ধেকে নেমে এসেছিল।

এখন সকলেই মনে করেন আসলে সরকারের উচিত শেয়ার বাজার চাঙ্গা করার জন্য কি ব্যাবস্থা নেওয়া উচিত এবং সেই উদ্দ্যেগ কতটা সফলতা বয়ে আনবে ।