ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

দেশ কোনদিকে যাচ্ছে ,সেটা অনেক বলতে পারবে , অনেকে পারবে না । সাম্প্রতিক সময়ের বেশ কিছু ঘটনা এখন শুধু আমাকে নয় দেশের সচেতন নাগরিকদের কে উদ্দিগ্ন করছে , সেই ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই । কিছুদিন যাবত গুপ্ত হত্যা , এরপর সারা দেশে কক্টেল বোমাবাজি , অস্থির রাজনৈতিক অবস্থা । সব মিলিয়ে এক কথায় বেশ ভয়াবহ অবস্থা বিরাজ করছে দেশে ।

সাধারন মানুষ রাজনৈতিক দলের দন্ধের মাঝে পড়ে কেউ মারা পড়ছে অথবা অস্থিরতার মাঝে জীবনযাপন করছে । সিলেটে যেভাবে বাসে আগুন দেওয়া হল এবং সেখানে যে ভ্যানক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল তা কি কোন সভ্য দেশে সম্ভব । এখন অনেক বলবেন ভাই আপনি কি লিখছেন ? এগুলো তো সরকারি দলের কাজ , অনেকে বলবে না ভাই এগুলো তো বিরোধি দলের কাজ । এখন প্রশ্ন হল এগুলো যে দলেরই কাজ হোক , এসব কে প্রতিহত করতে হবে । স্বাধীন দেশে এমন অরাজকতার মাঝে বাস করা সত্যি দুঃসহ ।

ভয় পেয়ে ঘরের কোনে বন্দি হয়ে থাকলে কি চলবে । আমাদের প্রতবাদি হতে হবে । রাজনীতি বিদরা আমাদের নিয়ে অনেক খেলেছে , এদেরকে সেই খেলার সুযোগ আমরা আর দিতে পারি না ।
দেশের হাজারো সমস্যার সমাধানে কারো উদ্দেগ নেই । অন্যদিকে ঘৃণিত রাজাকারদের বাচানোর জন্য সমাবেশ হয় সেখানে অনেক বড় মাপের রাজনৈতিক নেতারা বিচারের সচ্চতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেন দেখে আমি বিস্মিত এবং অবাক হই । আজ কেন এত সচ্চতার প্রশ্ন । সেদিন কোথায় ছিল এত সচ্চতা । সেদিন তো কোন মা বোনের ইজ্জত লুটবার আগে একবার ও ভেবে দেখেননি তারা কি সথিক করছেন না ভুল করছেন ? জাতির কাছে তখন সেই সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার ক্ষমতা তাদের থাকবে না ।

সরকার নিজে ও অনেক ভুল সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন । তাতে দেশে অস্থির অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে প্রতিনিয়ত । ভারতের সাথে সীমান্ত চুক্তি আসলেই কি কাগজে কলমে নাকি বাস্তবে । সেটা এখন প্রশ্নের সম্মুখীন । স্বাধীনতা দিবসের পরদিন ভারত সীমান্তে তিন গরু ব্যাবসায়ীকে গুলি করে হত্যা করে যা কোন ভাবেই কাম্য নয় । সরকার এই ব্যাপারে ভারতীয় হাইকমিশনকে তলব করে এর ব্যাখ্যা চাইতে পারে । আমাদের ভূখণ্ডের চারদিকে ভারতীয় বর্ডার । তাই তারা যদি নমনিয় না হয় সেখানে সবসময় এমন হত্যা কি যুক্তুযুক্ত ।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এসব ব্যাপারে জোর পদক্ষেপ নেওয়া দরকার । জাতি হিসাবে আমাদের গর্বকে কেউ যেন খাটো করে না দেখে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে । গতকাল টিভির খবরে দেখলাম ভারত সরকার বাংলাদেশের যুদ্ধের সময়কার চারটি কামান ফেরত দিয়েছে। আমার প্রশ্ন হল আর বাকি অস্ত্রের কি হল ? সেসব দিকে ও সরকারের খেয়াল রাখা উচিত । জনগন কে এখন আর ঘোল খাইয়ে কেইউ নিস্তার পাবে না । সে বিরোধী দলই হোক কিংবা সরকারী দলই হোক ।

সবশেষে বলব দেশের বর্তমানের সমস্যা গুলো ব্যাপক । এক গুপ্ত হত্যা অন্যদিকে বিশৃঙ্খলা এবং বোমাবাজি । সরকারি দল এবং বিরোধি দল যদি এসব না করে থাকে , তাহলে কে করছে এসব কেন করছে ? কি উদ্দেশ্য করছে ? তা সরকারকেই খতিয়ে বের করতে হবে । না হলে দেশের জন্য চরম দুর্ভোগ অপেক্ষা করছে আগামিতে । তখন হয়ত কিছুই করার থাকবে না ।