ক্যাটেগরিঃ স্বাস্থ্য

 

আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চিকিৎসকদের উদ্দেশ্য করে বলেছেন , পরিবারের সদস্য মনে করে রোগীদেরকে সেবা প্রদান করতে । আসলে কি তারা তাই করেন ( সকল ডাক্তার নয়) । তারা এমন কিছু সেবা প্রদান করেন , যাতে মনে রোগিরা শুধু পরিবারের সদস্যই নয় । তাহাদের গার্জিয়ান কিংবা ব্যাংক । তাদের সেই পারিবার মনে করা চিকিৎসা সেবায় রুগীর রোগ মুক্তির পরিবর্তে নতুন রোগের আগমন ঘটায়। রুগী তখন চিকিৎসকের কাছ থেকে চিকিৎসা সেবার পরিবর্তে নতুন রোগ পায় । বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জেনসের (বিসিপিএস) ১১তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসকদের কে সেবা করার সময় পরিবারের সদস্য মনে করতে বলেছেন । আপনার বলার মাঝে যতটুকু আন্তরিকতা ছিল তাদের কাজের মাঝে এর সামান্যতম থাকলে আমাদের দেশের চিকিৎসা সেবা অনেক উন্নত হত । আমি নিজে অনেক বার বিভিন্ন শহরে এবং মফস্বল অঞ্চলে অনেক রুগী নিয়ে গিয়ে বারবার বিপাকে পড়েছি । তারা তাদের নুন্যতম মানুষিকতা বেরিয়ে আসতে চায়না । আমরা জানি একজন ডাক্তার কে সমাজের উঁচু লেভেলে চলতে হয় এবং সেখানে তার চাহিদা মাফিক টাকা সাধারন একজন দুস্থ রুগীর পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয় । চিকিৎসক দের প্রধান দায়িত্ব যদি মানুষের সেবা করা হয়ে থাকে , তাহলে আমি বলব এই কথা কজন ডাক্তার মানেন। এমন অনেক ডাক্তার দেখেছি যে কিনা নিজের এলাকার দিনমজুর রোগীর কাছ থেকে নির্দ্বিধায় ফি নিচ্ছেন ।

দেশের বাইরের চিকিৎসা সেবা সম্পর্কে যাদের অভিজ্ঞতা আছে তারা অবশ্যই জানেন আমাদের দেশের চিকিৎসা সেবার সাথে তাদের কত পার্থক্য। মাদার তেরেসা যাভাবে সাধারন মানুষের সাবা করে গিয়েছেন , তেমন করে কি অন্য নান গুলো সেবা করে । এখানে প্রধান ব্যাপারটা হল নিজস্ব । আপনি যদি মনে করেন আপনি টাকা ও কামাবেন মানুষের সেবা ও করবেন দুটোই হবে ,তবে সেখেত্রে আপনি কাড়ি কাড়ি টাকা পাবেন না ঠিকই , পাবেন সাধারন মানুষের ভালোবাসা ।

আমি নিজে ও চাই আজকের সম্মেলনে উপস্থিত চিকিৎসকরা রুগীদেরকে তাদের পরিবারের সদস্য মনে করে নিবিড় ভাবে সেবা করুক । তাহলে নিজের মনে ও শান্তি পাবেন এবং আখেরাতের জন্য নিজের সম্বল কিছু নিয়ে যেতে পারবেন । আর যদি মনে করেন উনি বলেছেন , আমি শুনেছি । মানতে হবে এমন তো কোন কথা নেই । তাহলে সব কথা বলাই হল সারশুন্য ।