ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

কিছুদিন পূর্বে সীমান্তে বি এস এফ এর জওয়ানরা নির্মম এবং অমানুষিক ভাবে পেটাল আমাদের দেশের এক গরু ব্যাবসায়ীকে । পুরো বিশ্ব তা দেখল ধিক্কার জানাল । আমি ও দেখলাম এই নিয়ে একটি কবিতা লিখেছিলাম । ধিক্কার জানাই আমি ধিক্কার জানাই শিরোনামে।

আর গতকাল যখন পত্রিকায় দেখলাম দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজ উদ্দিন আহমেদের নাতীকে পুলিশ বেদড়ক পেটাচ্ছে তখন অবাক হয়ে গেলাম । দুটি ঘটনাই যেন কেমন । দুটো ঘটনাকে নিন্দা করি ধিক্কার জানাই । কিন্তু তাতে কি সব চুপ হয়ে যাবে না হবে না । সম্প্রতি দেশে কি হচ্ছে বুঝতে পারছি না । প্রবাস থেকে আমরা শঙ্কিত এবং অদূর ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে আতংকিত হই । সামনে কি হবে তা জানা নেই । এসব ঘটনা সামরিক শাসনকে টেনে নিয়ে আসছে সকলের অজান্তে । রাজপথে সরকারি দল থাকে এমন নজির ও কোন কালে দেখিনি । হরতাল , আন্দোলন এসব গনতান্ত্রিক আধিকার । এসবকে বাধা দিয়ে সরকার নিজেকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে । অন্যদিকে বি এন পি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এবং আরো কয়েকজন নেতা ইদানিং উল্টোপাল্টা বক্তব্য দিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনের অবস্থা কে বেশ উত্তপ্ত করে তুলেছেন । শেয়ার বাজারের আঁধার যেই খানে ছিল সেখানেই রয়ে গেছে । কোটি টাকা ব্যায়ে আয়োজিত বিপিএল দেশের ক্রিকেটারদের জন্য কতটুকু সফলতা বয়ে আনবে এটা ভেবে দেখার বিষয়।

একজন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর নাতী যদি পুলিশের নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা না পায় তাহলে আমার মত আপনার মত সাধারন মানুষের যে কি অবস্থা হবে তা বুঝতেই পারছেন। রাকিব উদ্দিন কে নির্যাতন করা মানে আমাদের সাধারন মানুষকে নির্যাতন করা । দোষী সেই সকল পুলিশ অফিসারকে ইতিমধ্যে ক্লোজ এবং সাময়িক বরখাস্তের খব ও আমাদের তথা জনগঙ্কে আশ্বস্ত করতে পারছে না। পুলিশ যা ইচ্ছে তা করবে তা একটি স্বাধীন দেশে মেনে নেওয়া যায়না । বেশ কিছুদিন পূর্বে পাঁচ ছাত্রকে ডাকাত সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা করার সময় পুলিশের নিশুপ ভুমিকা জনমনে সন্দেহের সৃষ্টি করে । বিশ্ববিদ্যালয়ের ছত্রকে রাতের বেলা ধরে রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন করে । সরকার সব দেখছে কিন্তু দায়ীদের ব্যাপারে দ্রুত কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না । আর সে কারনে আজ রাকিবুদ্দিনের মত তরুন কে পুলিশের হাতে লাঞ্ছিত এবং লাঠিপেটা খেতে হয় অসহায়ের মত ।

শেষ করছি একটি দুসংবাদ দিয়ে আর তা হল আমার সবচেয়ে প্রিয় চলচিত্র অভিনেতা হুমায়ুন পরিধি আর বেঁচেনেই ।আজ সকাল ১০টার দিকে ধানমন্ডিতে মেয়ের বাসায় বাথরুমে পড়ে গিয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬০ বছর।দীর্ঘ কর্মময় এক অভিনয় জীবন পার করেছেন হুমায়ুন ফরীদি। চলচ্চিত্র, টেলিভিশন ও মঞ্চে সমান দাপটের সঙ্গে অভিনয় করে দেশ-বিদেশের লাখো-কোটি ভক্তের মনে আসন করে নিয়েছেন এ অভিনেতা। আমরা তার রুহের মাগফেরাত কামনা করছি ।