ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

ছালাম রহিল। আশা – ভালোই আছেন। যাক আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি ছোট কয়েকটি ঘটনা নিয়ে।

১। রমজানের শেষ দিকে কড়াইলে খুন হয় বশির। তাকে আগেও একবার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল। দ্বিতীয় বার তারা সফল হল। বেশ ভালো ভাবেই সফল। এক রকম কমান্ডো স্টাইলে অপারেশন করে বীর দর্পে হোন্ডা চালিয়ে চলে গেল। গুলশানকে থানাকে ভেঙ্গে বনানী থানা করা হলো অপরাধ কম হওয়ার জন্য। কিন্তু কিছু কি অপরাধ কম হয়েছে? বরং অপরাধের ধরন পরিবর্তন হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের কুল কিনারা কি হয়েছে ?? জানি না, তদন্ত করে কি পেয়েছে তদন্তকারীরা ??? হয়তো পাবে অনেক কিছু। কিন্তু যে হত্যাকাণ্ডের নায়ক বলে প্রচার- সেই দিপু কে? কোন দিপু?? দিপু কি কোন আইনের মাঝে পড়ে না???

২। অদ্য বক্ষব্যাধি হাসপাতালের ডাক্তার নিচ বাসাতেই খুন? বলে কি?? হঠাৎ এত খুনাখুনি বেড়ে গেল কেন?? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলবেন, সব কিছু ঠিকঠাকই আছে? দুই একটি বিচ্ছন্ন ঘটনা ছাড়া, সারা দেশ ঠিকই আছে? ডাক্তারের বাসায় কিন্তু লোক ছিল, ছিল আসে পাশে আরো অনেকে?? আর নিরাপত্তায় কোন ঘাটতি ছিল না। তাহলে বক্ষব্যাধি হাসপাতালে এত নিরাপত্তার মাঝে থেকেও কেন এই নির্মম হত্যাকাণ্ড? হয়তো এরও তদন্ত হবে, তদন্ত কমিটি হবে, কিন্তু কেহ জানতে পারবে না। কি হয়েছিল? কেন হয়েছিল?? এই হত্যাকাণ্ড, একদিন মানুষ ভুলেও যাবে ঘটনাটি। আসলেই কি এইটি হত্যাকাণ্ড? না অন্য কিছু ?

৩। যারা প্রকাশ্যে অস্ত্র উচিয়ে হুংকার দেয়, তাদেরকে কি পুলিশ জানে না? চিনে না ?? সবই চিনে জানে, বুঝে, শুনে কিন্তু টাকার জন্য— পারে না। তথাকথিত সারা বাংলাদেশে কত জন সন্ত্রাসী আছে? হয়তো হাজার পাঁচেক নয়তো তার চেয়ে কিছু বেশী? এই কিছু লোকের কাছে তো দেশ, জিম্মি হতে পারে না? জিম্মি হতে পারে না জানমাল, মা বোন, ব্যবসা বানিজ্য, দোকান পাট, বাড়ী ঘর সম্পত্তি?

৪। কেন নির্বাচিত সরকার অবৈধ অস্ত্র বা সন্ত্রাসীদের ধরতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা এখন পর্যন্ত করেনি ? বৃহত্তর জনগনের স্বার্থ বড় নাকি সন্ত্রাসীদের স্বার্থ বড়। সাধারণ জনগনের জীবন বড় না কি সন্ত্রাসীদের জীবন বড়? কোনটা বড়?

আসুন আমরা সবাই মিলে – সত্য সময় ও পরিবর্তন মেনে নিয়ে এগিয়ে যাই।

পরিবর্তন করি সামাজিক অবস্থা, সৃষ্টি করি নতুন বাংলাদেশ। গড়ে তুলে সোনার বাংলা। আসুন এগিয়ে।