ক্যাটেগরিঃ ব্লগ

মাননীয় জ্বালানী উপদেষ্টা—আপনার কি কথা, যা বলা যাবে না? আপনার আর, না বলা কথা কি আছে ? প্লিজ আর আমাদেরকে কোন প্রকার স্লেভ / লোকসান / কোন প্লাটফরম দাড়া করাবেন না। আমরা সাধারণ মানুষ পাগল হয়ে গেছি, আপনার- বিদ্যুৎতের ভেলকি দেখতে দেখতে। জ্ঞান পাপি/রাষ্ট্রদ্রোহী/ অজ্ঞ / সমাজের শত্রু-সত্যিই তাই, আপনি বড় ডক্টর/নামী দামী ডিগ্রী তো আছেই, সাধারন মানুষেয় চিন্তায় সারাক্ষণ আপনার মাথায় বিড় বিড় করে, যার জন্য পরিস্কার হয়ে গেছে সব। গত বিএনপি আমলে আপনি কি ছিলেন? তা কি সবাই জানে না? বিএনপির সেই খ্যাম্বা আবারও আবিভূর্ত। সেই কথাই কি বলা যায় না?
আপনার কি এমন কথা – যে বলা যায় না, এখনও কি আরো কয়েক ধাপ মূল্য বৃদ্ধি বাকি আছে? আছে কি জ্বালানী পূর্ন মূল্যায়ন ?
কোন ব্যক্তিদ্বয়ের স্বার্থ হাসিলের জন্য যদি বৃহত্তর স্বার্থর বলি দেওয়া হয় তাকে কি বলে ? ?
আর যদি কোন বৃহত্তর স্বার্থ হাসিলের জন্য ব্যক্তি স্বার্থ কোরবানী দেওয়া হয় তাকে কি বলে ? নিঃস্বার্থপর । আপনি কোন টা।
রক্তচোষার মত চুষে নিচ্ছেন সাধারন মানুষের টাকা। কিন্ত কেন ? আপনার একক সিদ্ধান্তেই কি সব? সাধারন মানুষ কি কিছু না? আসতে হবে আর মাত্র ১৫ মাস পর ? তখন দেখবেন কি জবাব আপনাদের জন্য অপেক্ষা করছে। কি করলেন আপনারা– কি ডিজিটাল মারপেচ। অদ্ভত আপনাদের যুক্তি। সাধারন মানুষ চুরি করে না, করে আপনাদের মত বিদ্যানওয়ালা লোক, সূক্ষ কলমের মারপেচে চুরি হয়ে যায়, হাজার হাজার কোটি টাকা। যা কিনা আমাদের মত সাধারন মানুষ বুঝেই—- না কি হচ্ছে। প্লিজ.. আমাদেরকে ভালো ভাবে বাচঁতে দিন, আপনাদের একঘুয়েমিতে সাধারন মানুষ নিঃস্ব হতে চলছে। যেখানে প্রতিনিয়ত দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধি,হত্যা,গুম,মাদক, নির্যাতন বেড়েই চলছে। চলছে চাটুকারদের চাটুনি, চলছে কালো গ্লাস পরিহিত না দেখার ভান। কিন্ত কেন?
কখন যেন নিঃশব্দ ক্রন্দনের আওয়াজ বিকট হয়ে প্রকাশ পায়, বলা যায় না। আমরা কিন্ত তা থেকে বাহিরে নই।
তারপরও বলব প্লিজ আপনার – না বলা কথা, প্রকাশ করবেন না।

মন্তব্য ০ পঠিত