ক্যাটেগরিঃ নাগরিক সমস্যা

 

সুপ্রিয় পাঠক,

আমাদের ইলিয়াস কাঞ্জন ভাই অনেক দিন ধরে “নিরাপদ সড়ক চাই” বলে বলে দিন পার করছেন। কিন্তু তেমন কোন সাড়া নেই। কারণ সবাই তো আর ইলিয়াস ভাইয়ের মত আঘাত প্রাপ্ত নয়, বা তারানা হালিমের মত ব্যতিত নয়। আর মাত্র কয়েকদিন আগেই র্ফামগেইট এলাকায় ইলিয়াস ভাই সড়ক দুঘর্টনায় আহত হয়েছেন। এভাবেই কি চলবে? আমাদের সড়ক নিরাপদ হবে না? আমরা কি প্রতিনিয়ত রাস্তায় ক্ষতবিক্ষত লাশ হব?

কিন্তু ভবিষ্যতের চিন্তায় এখন থেকেই যে কিছু একটা করতে হবে, আমাদের নতুন প্রজম্মের জন্য ? একটু চিন্তা, বিবেক, সহযোগিতার হাত বাড়ালেই এর সমাধান করা যায়। কেননা–মন্ত্রি আজ আছে কাল সেই কিন্ত, রাস্তা থাকবে, গাড়ী থাকবে- সেই সাথে থাকবে সঠিক চালক এবং সঠিক দিক নিদেশর্না – সঠিক নিয়মাবলী। আর সেই লক্ষ্যেই নিজের বিবেক, মেধা, দায়িত্ববোধ থেকে দেশকে “নিরাপদ সড়ক ও চালক প্রশিক্ষন” দেওয়ার উদ্যমী সাহসী একজন পুলিশ সাজের্ন্ট। তার নাম – মোঃ নু্রুল মোমেন। সাড়া বাংলাদেশে ১৫০০-২০০০ সার্জেন্ট আছেন যারা প্রতিনিয়ত রাস্তায় যানবাহন নিয়ে কাজ করেছেণ। এই নুরুল মোমেন-মুক্তিযোদ্বার সন্তান, তার শরীরে বইছে সেই মুক্তির রক্ত, যেই মুক্তির জয় গান ১৬ই ডিসেম্বরে, স্বাধীনতাই গাই, গাই ২১শে ফেব্রুয়ারীতে গাই ভেদাভেদ ভুলে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শনে এম.এ। তার পর সার্জেন্ট হিসাবে যোগদান ১৯৯৯। তার অভিজ্ঞায় রয়েছে—–

১। মেকানিক্যাল ট্রান্সপোর্ট (এমটি) প্রশিক্ষণ, খুলনা সেনানিবাস-৫৬ দিন, ২০০১।
২। নব গঠিত ট্রাফিক উত্তর অফিসের প্রসিকিউশন ইনচার্জ -২০০৬।
৩। নয়া দিল্লী থেকে ট্রেন দি ট্রেনার কোর্স গ্রহনের সময় ভারতীয় বিভিন্ন সড়ক ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণের সুযোগ, ৪৫ দিন-২০০৭ সাল।
৪। ডিএমিপ পরিবহন বিভাগের ডিউটি অফিসার হিসেবে কর্তব্য পালন-২০০৭ সাল।
৫। জাতিসংঘ (ইউএনএএমআইডি) মিশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও সদনপ্রাপ্ত ড্রাইভিং এক্সামিনার থাকাকালীন -Defensiv & RoadSafety বই প্রকাশ-২০০৯ সাল।
৬। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্বারক ৪৪,০০,০০০০,০৭৬,০৯,০০০৪,১১-৫৬ মূলে “চালক” নামক বই প্রকাশ। আর বাংলায় নিরাপত্তার ওপর একটি বই লেখার পরামর্শমূলক আদেশ প্রাপ্ত।
৭। সদ্য ব্র্যাক এর উদ্যেগে বিআরটিএ এর চালক প্রশিক্ষক হিসাবে প্রশিক্ষকের প্রশিক্ষণ ট্রেনিং- এ প্রথম স্থান অধিকার করা।
তার এই অভিজ্ঞতা কি শুধুই কাগজ–সাটিফিকেট না কি সঠিক মূল্যয়ন করা ?
কেন রাষ্ট্র বা বিআরটিএ এগিয়ে আসে না আর অভিজ্ঞাকে কাজে লাগাতে পারে না ?
কেন ইলিয়াস ভাই বা তারানা আপার চোখের জল মুছে টিভিতে-আকুল আকুতি, বাচার জন্য ?
কেন সঠিক পদক্ষেপ এখন পর্যন্ত নেয়া হয়নি- সঠিক চালক বানানো। শুধু গরু,ছালক আর মহিষ চিনলে হবে না। রাস্থায় মানুষ থাকে কোন গরু,ছাগল,মহিষ থাকে না। গরু,ছাগল,মহিষ মরলে কোন কিছু হয় না। কিন্ত—- কথা থেকে যায়। আমরা কি পারবো ৪১ বৎসর পর “নিরাপদ সড়ক চাই” মৃত্যু স্বাভাবিকতা নিশ্চয়তা করতে??

পাঠকরা মন্তব্য করুন—–