ক্যাটেগরিঃ প্রযুক্তি কথা

আজকের বাংলার বৃদ্ধ মস্তিষ্ক যখন দেশের নিরীহ মানুষের বাঁচার নিশ্চয়তা দিতে পারছে না।

একটি স্বাধীন দেশের মানুষদের যখন সীমান্তে পাখির মতো গুলি করে মারছে ঠিক তার প্রতিবাদ জানাতে দেশের কিশোর,তরুণ সমাজ যখন জেগে উঠে একসাথে লড়াই করে যাচ্ছে এসবের বিরুদ্ধে ঠিক তখনি দেশের ঐ সকল বৃদ্ধ মস্তিষ্ক গুলো লেগেছে এই সকল উদীয়মান তথ্যপ্রযুক্তির জ্ঞানে সমৃদ্ধ এই তরুন সমাজের পিছে।

কেউ কেউ নিজের আখের গোছাটাকে আরো মজবুত থেকে মজবুতর করতে এই সকল তরুণদের স্বল্পজ্ঞানী অপরাধকারী হিসেবে ব্যাখা দিচ্ছে।কিন্তু তারা ভুলে গেছে যে এই তরুণ সমাজ অন্তত তাদের মতো চোর না বা অন্যের কষ্ট করে তৈরি করা কাজ নিজের বলে চালিয়ে দেয় না।আজ এই যুদ্ধ থেকে অন্তত এটা প্রমানিত হলো যে ঘোষণাকৃত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব যাদের হাতে দিয়েছে এই সরকার তারা কেউই যথাযথ নয়।যদি হতো তাহলে দেশের এতো গুরুত্বপুর্ণ সাইটগুলো স্বল্প আঘাতেই হ্যাক হতো না।কোন কোন মহাজ্ঞানী বলছেন এই যুদ্ধের যারা যোদ্ধা তারা হ্যাকিংএর অর্থই জানেনা! তাদের কাছে জিজ্ঞাসা করি কি করেছো তোমরা? আজকের এই যুব সমাজ সারা পৃথিবীতে যা আলোড়ন তৈরি করেছে তা কি তোমরা পেরেছো? ঈর্ষান্বিত হয়ে তোমরা শুধু নিজেদের নয় তথা পুরো জাতির অপমান করছ।
যারা আজ আমাদের জঙ্গি বলে ডাকছে তাদের কি নুন্যতম এই বোধটুকু নেই দেশের এই তরুণ যুব সমাজ যারা তোমাদের নির্বাচন করেছে আজ তাদেরকেই তোমরা জঙ্গি বলছ? এতে করে তোমরা কি প্রমাণ করছ বিশ্ববাসীর কাছে? এটাই কি প্রমান করছো না তোমরা যে বাংলাদেশ জঙ্গিতে ভরা একটি দেশ? ছি ছি ছি ধিক ধিক তোমাদের জ্ঞানে।নিজের স্বার্থের জন্য ১৯৭১ এ কিছু জনগণ তৎকালীন শাসক গোষ্ঠী পাকিস্তানের সাথে হাত মিলিয়েছিল আজ ঠিক তার উল্টোপিঠে নিজের স্বার্থের জন্য দেশের মান ডুবাচ্ছ তোমরাই।তোমাদের কাছ থেকে এই নোংরা শিক্ষা পাওয়ার আগেই মরে যাওয়া ভালো অন্তত বলতে পারবো দেশের মান রাখতে গিয়ে মরেছি।কারো কাছে মাথা নত করিনি নিজে,করতে দিনি দেশকে।আমাদের যুদ্ধ কিন্তু একদিনে শুরু হয়নি এটা ভুলে গেলে চলবে না।অত্যাচারের মাত্রা সীমা অতিক্ক্রম করাতে আজ এই পরিনতি।তোমরা এত বৈঠক করছো বছর বছর কূটনৈতিক সফরে যাচ্ছো কিন্তু কি আনতে পেরেছ দেশের জন্য?আর আজ চেয়ে দেখ কি এনেছে এই যুদ্ধ।একজন রাজ্য প্রধান তার কাজের ভুলটুকু বুঝতে পেরেছেন।এটাও কি তোমরা মানবে না? নাকি বলবে অন্যকিছু?

তোমাদের বলছি যারা এই বিপ্লবের বিরোধিতা করছো আমরা আমাদের দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই বিপ্লব চালিয়ে যাবো।আমরা ন্যায়ের পথে স্বাধীনতার পথে।সেই পথে যে পথের জন্য ১৯৭১ এ ৩০ লক্ষ শহীদ তাঁদের প্রান দিয়েছিলো আমরা কারো কাছে মাথা নত করতে শিখিনি আমরা কারো গোলাম হতে শিখিনি স্বাধীন দেশে জন্মেছি স্বাধীন হয়ে থাকব।

বিজয় আমাদের হবেই।সত্য ও ন্যায়ের জয় চিরকালই হয়।বিপ্লবের পথে কোন বাঁধাই বিপ্লবীদের থামাতে পারেনি পারবেওনা।