ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

 
বঙ্গ বসন্ত

গলায় কফ জমতে জমতে গলগণ্ড হইয়া যাইতাছে, খুব ঝাইরা কাশতে মনে চায়; কিন্তু ক্যামনে????? আবার যদি হাইকোর্ট, সুপ্রিমকোর্ট দেহন লাগে। ভার্সিটির টিচারই রেহাই পায় না, আর আমি তো কোন ……… ।

তারপরেও একটু কই।

কিরাম কিরাম হাওয়া লাগে; বঙ্গদেশে এহন কোন ঋতু? শীতই তো মনে হয়, তয় হাওয়া আহে কইত্তে? আরব বসন্ত, রুশ বসন্তের পর “বঙ্গ বসন্ত” ও কি শুরু হইব নাকি? আমি কইলাম খারাপ কিছু কই নাই।

এই গুলো হল গত দুই দিনে আমার ফেসবুকের স্ট্যাটাস।

বলতে পারেন গনতন্ত্রের(নাম মাত্র) আলো বাতাস খেয়ে বড় হওয়া আমাকে আর কত সহ্য করতে হবে স্বার্থতন্ত্রের স্বেচ্ছাচারিতা? কেউ কি আমাকে এই প্রশ্নের জবাব দিতে পারবেন? যারা আমাকে এত দিন কোন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সমর্থক ভেবে গালি গালাজ করেছেন তাদের বলছি, আমি কোন নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের তাবেদার না। আর কত মায়ের বুক খালি হবে, আর কত মেধাবী ছাত্র রাজনীতি নামক বলীর পাঁঠা হবে। আমরা যারা দেশকে ভালবাসি তাদের কে বলছি আমাদের কি কিছু করার নেই। আমাকে দয়া করে এমন কিছু দিক দেখান যেখানে আমার সোনার বাংলার প্রাপ্তি রয়েছে। মনটাকে একটু শান্ত করি।

আমরা কি এই সোনার বাংলা চেয়েছিলাম। জানেন না অনেক ভয়ে ভয়ে এই লেখা লিখছি। বাক স্বাধীনতা ও তো কেড়ে নেয়া হয়েছে। কি করবো বাপ মার এক মাত্র সন্তান। রুদ্র মুহান্মদ শহীদুল্লাহ র ভাষায় বলা লাগে, আমি ঘুমুতে পারিনা, আমি ঘুমুতে পারিনা। মিথ্যে নয় অন্তরের অন্তস্থল থেকে বলছি।

জবি উপাচার্য বলেছেন, “উচ্চশিক্ষা কিনতে হয়!!” প্রবাসে থাকি তারপরে ও প্রতিমুহূর্তে দেশের খবর রাখি। উপাচার্যের এই কথা শুনে হাসব না কাঁদব ভেবে পাই না। মুখে মুখে বড় বড় ডায়লগ দেয়া সুশীল সমাজের তাহলে এই রূপ। শিক্ষা ও তাহলে পণ্য। তাহলে আর স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের দরকার কি? দেশ তো ডিজিটাল হয়েই গেছে। পে পাল ও আসতেছে। পে পালে পে করে ঘরে বসে অনলাইনে শুধু অর্ডার করবো আর ডিগ্রী পেয়ে যাবো। আইডিয়াটা কিন্তু একেবারে খারাপ না। কোন মহান শিক্ষকের গালে চড় ও পরবে না, বেঁচে যাবে মেধাবী কত শত জীবন।

***
আমি সামহোয়ার ইন ব্লগ এবং সোনার বাংলাদেশ ব্লগে আন্ধার এবং আমার বর্নমালা ব্লগে আঁধার নামে লেখি।