ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

মাদ্রাসায় কারা পড়ে? এক কথায় এর উত্তর হয় না। এক কথায় বলতে গেলে বলতে হবে-অতিরিক্ত জনসংখ্যাটা মাদ্রাসায় পড়ে। এই সরলীকরণের মধ্যে অনেক কিছু আছে। যেমন- ধর্মীয় গোড়ামি বা বিশ্বাস আছে, তবে সবচে’ বড় কারণ অসমর্থতা, অর্থাৎ দরিদ্র পিতা-মাতা ছেলে-মেয়ের ভরনপোষণ দিতে ব্যর্থ হয়ে মাদ্রাসায় পাঠায়। বিশ্বাসটা এখানে গৌন। ফ্রি খাওয়া থাকার ব্যাপারটাই প্রধান। এই ‘ফ্রি’ র মধ্যেই আছে জঙ্গিবাদ এবং ধর্মের ব্যবহারবাদ। তারা ফ্রি খাচ্ছে এবং বড় হচ্ছে, কিন্তু কী শিখছে? কী বুঝছে? যা শেখানো হচ্ছে তাই শিখছে। কী শেখানো হচ্ছে? কর্মমূখী শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে ? না, তা দেওয়া হচ্ছে না। নৈতিক মূলবোধ শেখানো হচ্ছে? না, তাও শেখানো হচ্ছে না। তা হলে কী শিখছে তারা? একটা শিশু মানে একদলা কাঁদামাটি-তাকে যেভাবে গড়া হবে সে তাই-ই হবে।
কী শিখছে, কেন তা শেখানো হচ্ছে-তা বুঝতে হলে, ফ্রি খাওয়া থাকার জোগানটা কোথা থেকে আসে সেটি বুঝতে হবে। টাকাটা আসছে ধর্ম ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে। এইসব ধর্ম ব্যবসায়ীরা সবসময় রাষ্ট্রযন্ত্র (যদি সেটা তাদের নিয়ন্ত্রণে না থাকে) এবং মুক্তচিন্তার মানুষদের ভয় পায়। এদের নানান ধরণের গোপন অপকর্ম থাকে। কবিরা একটা প্রেম করলে পাঁচটা বলে বেড়ায়, কিন্তু ধর্ম ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন খুন ধর্ষণ করেও গোপন রাখতে চায়। ফলে গোপন রাখার মন্ত্রটাকে তারা পোক্ত রাখতে চায়। শুধু পোক্ত রাখতে চায় তা নয়, দিক্ষা দিয়ে একটি বাহিনীও তৈরি রাখতে চায়-যাদের জড়ো করে সরকারের বিরুদ্ধেও চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়া যায়।