ক্যাটেগরিঃ চিন্তা-দর্শন

 

সাম্প্রদায়িকতা মানে শুধু হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিস্টার নয়, এটা এখন ব্যাপকতা পেয়েছে। সে সাম্প্রদায়িকতাও কম ভয়ঙ্কর নয়। যেমন, যেকোন পরিস্থিতিতে শিক্ষক শিক্ষকের পক্ষে কথা বলা সাম্প্রদায়িকতা, শিক্ষার্থী সঠিক হলে সেক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর পক্ষেই কথা বলা উচিৎ। ডাক্তার হলেই ডাক্তারের পক্ষে কথা বলতে হবে -এটা এক ধরনের সাম্প্রদায়িকতা। সাংবাদিক সবসময় সাংবাদিকের পক্ষে কথা বলে -এটাও সাম্প্রদায়িকতা। বাগেরহাটের লোক আগে বাগেরহাটের লোককে প্রায়োরিটি দেবে সে অযোগ্য হলেও -এটা সাম্প্রায়িকতা। এভাবে মাইক্রো লেভেলে নানান ধরনের সাম্প্রদায়িকতার চর্চা হয়ে থাকে, যেগুলোর প্রভাব খুবই নেতিবাচক। কারণ, ভাল ডাক্তাররা যদি মন্দ ডাক্তারদের বিরুদ্ধে কথা বলতো, তাহলে বিষয়টি নিয়ে অন্যদের কাজ করা অনেক সহজ হতো, কারণ একজন ডাক্তারই কেবল আরেকজন ডাক্তারের ভুল এবং দুর্নীতি সহজে সণাক্ত করতে পারবেন, কিন্তু তা করার লোক এদেশে নেই। দলীয়ভাবে স্বার্থ সংরক্ষণ করার এই মানসিকতাটা দেশের সকল পেশার ক্ষেত্রে খুব প্রকট আকার ধারণ করেছে।