ক্যাটেগরিঃ গণমাধ্যম

২৪

বিবিসি লিখলো ২৩ জনের মৃত্যু। প্রথম আলো লিখলো ১৪ জনের লাশ উদ্ধার (ভেতরে লিখেছে ২২ জনের মৃত্যু)। দুটো পোস্টিংই ফেসবুকে প্রায় একসাথে হয়েছে। বিবিসি মৃত্যু সংবাদ দেওয়ার পাশাপাশি পুলিশের বরাত দিয়ে লিখেছে- “কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ কামরুল ইসলাম বিবিসিকে জানিয়েছেন, আহত হয়ে অনেকেই এখন হাসপাতালে রয়েছেন এবং এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে।”

প্রথম আলো লিখেছে- “পদদলনের ঘটনা সম্পর্কে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক সঞ্জীব কুমার চক্রবর্তীর ভাষ্য, এলাকার ব্যবসায়ী ও নুরানি জর্দা ফ্যাক্টরির মালিক শামীম তালুকদার প্রতি বছরই জাকাতের কাপড় দেন। আজ তাঁর বাড়িতে জাকাতের কাপড় দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সময় নির্ধারণ করা ছিল না। এ কারণে সেহেরির পর থেকে সেখানে দুস্থ মানুষের ভিড় জমতে থাকে। শামীম তালুকদারের বাড়ির সামনের রাস্তাটি তেমন চওড়া নয়। অতিরিক্ত মানুষের চাপ ঠেকাতে ভোর পাঁচটার দিকে ওই বাড়ির প্রবেশ ফটক খুলে দেওয়া হয়। এ সময় হুড়োহুড়ি করে বাড়ির ভেতর ঢুকতে গিয়ে কেউ কেউ পড়ে যান। এতে পদদলিত হওয়ার ঘটনা ঘটে।

সঞ্জীব কুমার চক্রবর্তী বলেন, ওই ঘটনার পর স্বজনেরা নিহতদের লাশ নিয়ে যায়। এ কারণে এ দুর্ঘটনায় ঠিক কত জন নিহত হয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অস্বাভাবিক মৃত্যু হওয়ায় এসব লাশের ময়নাতদন্ত প্রয়োজন। এ জন্য স্বজনদের নিয়ে যাওয়া লাশগুলো উদ্ধার করতে পুলিশ বিভিন্ন বস্তিতে তল্লাশি চালাচ্ছে।”

২৩

হতাহতের পরিসংখ্যান কি কোন ডাক্তারের কাছ থেকে নেওয়ার কথা? এমন না যে, প্রথম আলোর পুলিশের সাথে যোগাযোগ হয়নি। কোতয়ালি থানার ওসির বরাত দিয়ে প্রথম আলো লিখেছে- “কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) মাহবুবুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় জাকাতদাতা শামীম তালুকদারসহ ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনা তদন্তে পুলিশের পক্ষ থেকে কমিটি গঠন করা হয়েছে ”

নিউজটিতে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের যে ডাক্তারের ভাষ্য নেওয়া হয়েছে সেটি একজন ডাক্তারের কাছ থেকে জানার মত কোন বিষয় নয়। ডাক্তারের কাছ থেকে জানা যেত, ঠিক কীভাবে তাদের মৃত্যু হয়েছে সে বিষয়ে।