ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

ধর্মবমাননা করে কারা অনলাইনে লেখালেখি করছে, তা সরকার জানে। খুব ভাল করে জানে। হেফাজত তাদের একটি লিস্ট দিয়েছিল, পাশাপাশি সরকারেরও এ বিষয়ে বিশেষ নজরদারি থাকার কথা। তো হেফাজত যখন চুরাশি জনের লিস্টটা দিল, তখন সরকার নিশ্চয়ই তাদের একটা বুঝ দিয়েছিল। কী বুঝ দিয়েছিল? সরকার কি বলেছিল, ঠিক আছে তোমরাই ব্যবস্থা নাও? অথবা সরকার কি বলেছিল, না, এরা ধর্ম অবমাননা করে কিছু লিখছে না? অথবা সরকার কি বলেছিল, ঠিক আছে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি? এই তিনটি অপশনের মধ্যে যে কোন একটি বেছে নেওয়া ছাড়া সরকারের কাছে অন্য কোন অপশন থাকার কথা নয়।

আচ্ছা, তর্কের খাতিরে ধরে নিলাম, সরকার অন্যভাবে বিষয়টির সুরাহা করতে চেয়েছিল। সেটি কী হতে পারে? হতে পারে- সরকার বিতর্কিত ঐসব ব্লগারদের সাথে যোগাযোগ করে কড়া ভাষায় তাদের থ্রেট দিয়ে ঐসব লেখালেখি বন্ধ করতে বলেছিল। তা কি বলেছিল? এবং যদ্দুর যা লিখেছে তার জন্য আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলে ধার্মিকদের খুন করা হতে বিরত থাকতে বলেছিল। তা কি আসলে বলেছিল? বলেনি। না বলার কারণ কী? তাহলে সরকার কি চেয়েছে, ’ধার্মিকরা’ নিজেরাই ব্যবস্থা নিক?