ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় তনু টিউশনির বাসা থেকে বেরিয়েছে। দশটায় তার লাশ পাওয়া গিয়েছে। এ থেকে ধারণা করা যা, খুন হওয়ার সর্বোচ্চ দুই ঘণ্টার মধ্যে লাশ পাওয়া গিয়েছে। শীঘ্রই পুলিশের হাতে লাশ পৌঁছেছে। একদম জ্বলজ্যান্ত বিষয়। কিভাবে খুন করা হয়েছে, তা দেখেও কিছু ধারণা করা যায়, পোস্টমর্টেমে না আসার তো কোন কারণই নেই।

কেন আসল না? কেন প্রথমবার পোস্টমর্টেম ব্যর্থ হল? যাদের কারণে প্রথমবারের পোস্টমর্টেম ব্যর্থ হয়েছে তাদের সনাক্ত করা হয়েছে কি? দ্বিতীয়বার পোস্ট মর্টেম করা হয়েছে তো গলিত লাশের। তনুর লাশ তো আর মমি বানিয়ে রাখা হয়েছিল না। হয়েছিল কি?

আর দ্বিতীয়বারও যে পোস্টমর্টেম ঠিকঠাক মত হয়েছে তার গ্যারান্টি কে কিভাবে দিল? সত্যিকথা বলতে কি, আমার যদি সামর্থ্য থাকত বা অতটা নিঃস্বার্থ যদি হতে পারতাম তাহলে প্রথমবার পোস্টমর্টেম ব্যর্থ হওয়া এবং তা সত্ত্বেও লাশ কবর দেওয়ার কারণ জানতেই “দেশ অচল করে দিতাম।”