ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

সরকার যে কোনো মূল্যে প্রমাণ করতে চায় দেশে আইএস নেই। এটা প্রমাণ করতে গিয়ে হেন কোনো আবোল তাবোল কথা নেই, যা তারা বলছে না। কালকে আইজি বললেন, গুলশানের হোলি আর্টিসন রেঁস্তোরায় হামলা করা জঙ্গীদের খবর পুলিশ আগে থেকেই জানত, তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছিল। গোপনে গোপনে গ্রেফতারের চেষ্টা চালানোর কারণ কী? ছবি দিয়ে এদের নাম-ধাম জনসমক্ষে প্রকাশ করলেই তো বরং তাদের গ্রেফতার করা সহজ হত। এরকমটি অন্য কয়েকজনের ক্ষেত্রে সরকার করেছেও।
আইএস নেই, একথা বলে তো সরকার রীতিমত আইএসকে এটা বেশি করে প্রমাণ করতেই উৎসাহিত করছে যে তারা আছে। হোলি আর্টিসন রেঁস্তোরায় হামলার ঘটনায় তারা সেটি প্রমাণ করতে চেয়েছেও। কমান্ডো অভিযানের আগেই আইএস সাইট থেকে বলা হয়েছে, হামলাকারীরা বিশ জনকে হত্যা করেছে। কমান্ডো অভিযানের পরে বিশটি মৃতদেহই পাওয়া গিয়েছে। তাছাড়া আইএস সাইটে হামলাকারী হিসেবে যাদের ছবি দেওয়া হয়েছে, সেইসব ছবি এখন সত্য প্রমাণও হচ্ছে। এরপর আএইস নেই বলে সরকারের অন্তঃসারশূন্য দাবী জনগণকে আরো বিচলিত করে তুলছে।
আইএস থাকা মানে তো এই নয় যে সিরিয়া থেকে আইএস এসে বাংলাদেশে আক্রমণ করবে। আইএস কানেকশন থাকা মানেই আইএস থাকা। তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে সে ধরনের কানেকশন থাকা খুবই সম্ভব, কিন্তু সরকার বারে বারে বলে, আইএস কানেকশন নেই! জানতে ইচ্ছে করে ‘আইএস কানেকশন নেই’ বলে সরকার আসলে কী অর্জন করতে চাইছে?