ক্যাটেগরিঃ পাঠাগার

একটি গবেষণা কাজে হাত দিয়েছিলাম, কিন্তু মাঝ পথে সেটি থামিয়ে দিতে হয়েছে। বিশ্বাস ঘাতকতার শিকার হয়েছি বলা চলে। গবেষণাটি করার জন্য বাজার থেকে প্রচুর বই আমাকে কিনতে হয়েছে। সেগুলো যাচাই বাছাই করতে হচ্ছে বহুদিন ধরে। বাচ্চাদের বই কিনেছি বেশি, কারণ, শিশুতোষ বইয়ের উপর মূল ফোকাসটা রাখতে চাচ্ছিলাম।

বাচ্চাদের বই কিনে দেখি, কয়েকটা বইয়ে ভীষণ রকমের অসংগতি। একজন বন্ধুর সাথে বিষয়টি শেয়ার করি। ও অসংগতির বিষয়গুলি ছবি তুলে পাঠাতে বললে আমি কয়েকটি ছবি পাঠাই। ও আমার পাঠানো কয়েকটি ছবির মধ্য থেকে একটি ছবি আমার অনুমতি না নিয়ে এবং আমাকে না জানিয়ে, আমার প্রতি কোনোরূপ কৃতজ্ঞতা স্বীকার না করে ফেসবুকে শেয়ার করে। এই ছবিটি ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছিল। বিষয়টিতে আমি খুবই মর্মাহত এবং বিরক্ত হই, এবং আমার কাজ বন্ধ করে দিই। কারণ, ঐ একটি ছবি বিচ্ছিন্নভাবে শেয়ার করাতে এবং সেটি সবার কাছে ছড়িয়ে পড়াতে আমার গবেষণার মূল উদ্দেশ্য নিঃসন্দেহে নষ্ট হয়েছে। ঐ ছবিটি যে বিষয় তুলে ধরছে সেটি আমার গবেষণার মূল বিষয় নয়, সামান্য একটি অংশ মাত্র, একটি ডাটা বলা যেতে পারে।

তবে কাজটি আবার শুরু করব ভাবছি। সাহায্যে কেউ এগিয়ে আসলে খুশি হব।

উল্লেখ্য, ঐ ছবিটির সূত্র ধরে অামার অসম্পূর্ণ বিশ্লেষণের একটি অংশ কিছু সংযোজন করে ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটি একটি আর্টিকেল হিসেবে তাদের শেতপত্রে ছেপেছে। অবশ্য তারা আমার সাথে যোগাযোগ করেছিল, তবে আমি আমার নাম ব্যবহার করতে ‘না’ করেছিলাম, কারণ, যেহেতু ঐ একটি ছবি আমার গবেষণার মূল বিষয়বস্তু নয়।

সর্বিকভাবে বিষয়টি থেকে আমার একটি শিক্ষা হয়েছে, যে কোনো গবেষণা কর্মে গোপনীয়তা একটা বড় বিষয়। আবেগবর্জিত হয়ে গোপন রাখতে পারা জরুরী।

 

%e0%a6%93%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%9a%e0%a7%81

এমন ওল কঁচু দেখেছেন কেউ কোনোদিন?!

 

 

20160731_135059

বাংলাবাজারেরই একটি দোকানে হঠাৎ চোখে পড়ে বইটি। বইয়ের নাম ‘জিজ্ঞাসা’, কিন্তু বানানটির অবস্থা দেখুন।

 

 

publications

ছবিটি ৩৮ বাংলাবাজারের একটি প্রকাশনীর বই থেকে তোলা।