ক্যাটেগরিঃ স্বাস্থ্য

ডাক্তার সাহেবদের নিয়ে আমি আমার এই সিরিজ একবার মনে করি চালিয়ে যাই, আবার মনে হয় কি লাভ! দেশের আর অন্য যে সকল পেশা চলছে ডাক্তার সাহেবরা তা থেকে ভিন্ন হবেন কেন? চলুক না। তবে কোথায় যেয়ে ঠেকে যাই, যেহেতু শরীর নিয়ে কারবার, জীবন মরণের খেলা। যে পরিবার যাকে হারিয়ে ফেলে, সেই পরিবারই বুঝে এটা কত কষ্টের। একটা তাজা মানুষকে হারিয়ে পরিবারটা কি দুঃসহ সময় কাটায় তা দুনিয়াতে কি দিয়ে পোষাবে?

আমি জানি আমার লেখায় কারো কিছু যাবে আসবে না! ন্যূন্যতম কোন পরিবর্তন হবে বলে মনে হয় না। তবে একটা দলিল হয়ে থাকবে এই পাতায়, এটাই বা কম কিসের? আসলে অনেকদিন বন্ধ রাখার পর এখন আবার মনে হচ্ছে আরো কিছু দিন চালাই, মোটামুটি আরো বেশ কিছু ঘটনা চোখে এবং মনে গেঁথে আছে।

গত কয়েকদিন আগের ঘটনা, একজন রোগী বা তার আত্বীয় (মনে হয় আত্বীয়) ফার্মাসি কাউন্টারে তার প্রেসক্রিপশন দিয়ে ঔষধ গুলো দিতে বলল। কিন্তু আমি লক্ষ্য করলাম আমাদের কাউন্টারের ছেলেটি কিছুতেই কি কি ঔষধ ডাক্তার লিখেছেন তা পড়তে পারল না। আমি হাত চারেক দূরে থাকায় দেখলাম, সে প্রেসক্রিপশনটা অন্যদেরও দেখাচ্ছে কিন্তু ফার্মাসির ভিতরে থাকা কেহই পুরা প্রেসক্রিপশন পড়তে পারল না। সরি বলে ওরা রোগী বা তার আত্মীয়কে প্রেসক্রিপশন ফেরত দিল। কিন্তু এতে রোগী বা তার আত্বীয় ক্ষেপে যায়। বলে, না পড়তে পারলে আমার সময় নষ্ট করলে কেন? পারলে মনে হয় একটা বিরাট মারামারি বাঁধিয়ে ফেলবে! তাকে কিছুতেই বুঝানো যাচ্ছে না যে, ঔষধের নাম গুলো পড়া যাচ্ছে না।


[ছবিঃ নেট থেকে]

ঘটনার সাথে সাথে আমি সে বিষয়ে ইন্টারফেয়ার করি, রোগী বা তার আত্বীয় থেকে প্রেসক্রিপশনটা নিয়ে দেখি। দুটি ঔষধের নাম পড়তে পারলেও ৩য়, ৪র্থ ঔষধের নাম আমার বাবার বাবারও সাধ্য হবে বলে মনে হয় না! ডাক্তারের নাম দেখি, তিনি আমাদের দেশের বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ।

এই রকম ঘটনা এটা প্রথম নয়, আমাদের ফার্মাসি এবং ইনভেস্টিগেশন ক্যাশ কাউন্টারের প্রায় এমন (দিনে দুই একটা তো হবেই) ঘটনা ঘটেই যাচ্ছে। সামান্য বিষয় নিয়ে হাতাহাতি হয়ে পড়ে। ভুল ঔষধ এবং ইনভেস্টিগেশন লিখে কত না কি ঘটনা ঘটে যেতে চায়! তবে দিন শেষে সব দোষ যেয়ে পড়ে আমাদের প্রতিষ্ঠানের উপর।

কথা হচ্ছে একজন ডাক্তার কেন এমন হাতের লেখা লিখবেন? এটা কি আইন সম্মত!