ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

“রক্তের চেয়ে দুধের ঋণ বড়ো, মা এর চেয়ে বড়ো যে মা সেই দেশের দুধের ঋণ”

কি, কারা, কেন ও কোথায়?

গত এক সপ্তাহ ধরে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন দেখে আমি মানসিকভাবে চরম বিপর্যস্ত। আপনাদের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে দেশ জ্বলছে এই লোকটার মাথা ব্যাথা কেন? আমার উত্তর যারা মরছে কিংবা গুম হচ্ছে তারা সকলেই রাজনীতি’র ঊর্ধে মানুষ, হ্যাঁ!

এখানে আরেকটি প্রশ্ন আমাদের মনে জাগতে পারে যে বিশ্বনাথে কেনো এসব হলো? কারণ মানুষ চায় এক জন মানুষ ইলিয়াসকে ফিরে পেতে। রাজনীতিককে নয়। আমার কাছে খুব আশ্চর্য লাগছে আমরা নিজেদের স্বার্থ স্বিদ্ধির জন্য মানুষের পেছনে মানুষ লেলিয়ে দিচ্ছি, গাড়ি ভাংচুর করছি, কাভারড ভ্যানে আগুন দিচ্ছি, লাভ কি হচ্ছে? নিজের পাতের ভাত খাই না, পরের পাতের ভাত নিয়ে টানাটানিতে সিদ্ধহস্ত।

রেখেছো বাঙালি করে, মানুষ করোনি

আমাদের হাতে খুব বেশি সময় নেই, আর মাত্র নয় বছর পর আমরা পালন করতে যাচ্ছি বাংলাদেশের জন্মের ৫০তম বার্ষিকী। আপনার কাছে টাকা বেশি না দেশের রাজনীতি বেশি? রাস্তার যত ছেঁচড়া পোলাপান পিকেটিং বা রাজনীতি করে তাদের এডুকেশনাল ব্যাকগ্রাউন্ড দেখলে বুঝবেন এদের দৌড় কতটুকু। এখন কথা হচ্ছে কারা রাজনীতি করে? যারা ছোট বেলা থেকে মা-বাবার আদর পায় না, বেয়াড়া প্রবৃত্তির তারাই মূলত রাজনীতি তে ঢুকে, আর কার ঢুকে জানেন? পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যারা সমাজবিজ্ঞান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান প্রভৃতি অখাদ্য বিষয় থেকে পাশ করে, অবশ্য ভালো ছাত্রদেরও ভুল পথে আসতে বাধ্য করা হয়, যেমনটা এখন বিভিন্ন যায়গায় দেখা যায়, এরা জানে যে এদের ভবিষ্যৎ নেই তাই টেন্ডারবাজি, চাদাবাজি, খুন, গুম এসব ছাড়া কিছুই বোঝে না এখন! তাই সময় থাকতে আপনার নিজের ভাই বোন কিংবা পাড়ার ভাই বোনকে এসব এর সংস্পর্শে আস্তে মানা করুন সচেতন করুন।

শেষ কথার উপকথা

বাংলাদেশের রাজনীতিকে যদি এতই বদলানোর ইচ্ছা আপনাদের তাহলে আমার উপরের কথা গুলার সাথে কাজে মিল রেখে আগামী ২০ বছর মুখ বুজে সহ্য করুন, খালেদা জিয়া-শেখ হাসিনা তো হাজার বছর প্রধানমন্ত্রী থাকবেন না, ততোদিনে বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ অনেক সচেতন হবে, রাজনীতি রি-ফর্ম হবে মানুষ তখন যোগ্য, সুবিবেচক মানুষদেরকেই ক্ষমতায় বসাবে।

[বিঃদ্রঃ এই লেখাটি সাধারণের উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে, কোনো নষ্ট রাজনীতিবিদের চোখে পরলে আমার কিছু করার নাই]