ক্যাটেগরিঃ গণমাধ্যম

 


সাগর-রুনী হত্যাকাণ্ড (পরবর্তী খবর বুলেটিন)

১. International Commission for Fact Finding of Sagar-Runi Murder in Bangladesh গঠিত।
২. মাহফুজুর রহমান আমেরিকায়। সন্দেহভাজন ভাই মাকসুদূর রহমান রন্জু মিশিগান ষ্টেট এ পালিয়ে আছেন।
৩. আওয়ামী লীগ অফিসিয়ালি শেখ মহিউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করে সাগর-রুনী হত্যাকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ততাকে হাজির করলো।
source: facebook

শেখ মহিউদ্দিন আহমেদ কে নিয়ে ATN ‘র চেয়ারম্যান যে Propaganda চালাচ্ছে তা দেখে খুব সহজেই বোঝা যায় সে সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের খুনীদের খুঁজে বের করার চাইতে শেখ মহিউদ্দিন কে হেয় করার প্রতি মনোযোগী..

শেখ মহিউদ্দিন আহমেদ কে হেয় করার জন্য এই গুজব ছড়ানো হচ্ছে। তিনি কোন ফ্রিডম পার্টির নেতা ছিলেন না এই লিঙ্কে তার পরিচয় পাওয়া যাবে। তিনি ২০০৫-এ দেশ ছেড়েছেন । সে সময় তৎকালীন সরকার তাকে মিথ্যা মামলায় জড়ায় এবং ক্রস ফায়ারে নিয়ে যায়। কয়েকজন সেনা কর্মকর্তা তাঁকে সাহায্য করায় তিনি নতুন করে প্রাণ ফিরে পান। এই সংবাদে বলা হয়েছে তিনি সাগর-রুনির হত্যা রহস্যের ব্যাপারে ফেসবুকে প্রচারণাকারী একথা সত্য নয় কারণ তাঁর আগে অন্যেরা ঐ ব্যাপারে প্রচারণা করেছে । তিনি ছবিটি শেয়ার করেছেন কয়েক হাজার শেয়ারকারীর ন্যায়। একজন সচেতন মানুষ হিসেবে এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ করা কি অন্যায়? উপরন্তু গত ৪ঠা মার্চ এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান তাঁকে ফোন করে ভয়ভীতি দেখিয়েছেন। সর্বোপরি এই হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিসহ শেখ মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

বিপ্লবী শেখ মহিউদ্দিন আহমেদ কে এদেশের নষ্ট রাজনীতিকরা নিশ্চিহ্ন করার পাঁয়তারা করে চলেছে এখনো। তবে এদেশে কে আর মাথা তুলে দাঁড়াবে নির্ভীক চিত্তে? আমি দাঁড়াবো । শেখ মহিউদ্দিন কে ফিরিয়ে আনার দায় আমার…আমাদের।