ক্যাটেগরিঃ ধর্ম বিষয়ক

 

রাষ্ট্র তো মানুষ নয় প্রাণ নেই। তার আবার ধর্ম কিসের? সেক্যুলার নামের মুশরিকদের সমস্যা কেন ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম!!!
♦ রাষ্ট্রের তো প্রাণ নেই, কথা বলতে পারে না। তার আবার রাষ্ট্রভাষা কিসের?
♦ রাষ্ট্র তো চুরি করে না, ঘুষ খায় না। তার জন্য আবার সংবিধান আইন কিসের?

বলবেন, এগুলো রাষ্ট্রের জনগণের জন্য। তাইলে জনগণের জন্য ভাষা, সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় আইন থাকতে পারলে রাষ্ট্রধর্ম ও থাকবে। সমস্যা কোথায়?

সমস্যাটা হলো প্রেস্টিজবোধ। যে প্রেষ্টিজবোধের কারণে কট্টর হিন্দুরা এবং মুসলিম নামধারী ইসলাম বিদ্বেষী আবু জাহেলের বংশধরেরা ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম মানতে পারেনা। ঠিক সেই প্রেষ্টিজবোধের কারণেই সংখ্যাগরিষ্ট মুসলিমেরা সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া মানতে পারছে না।

সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম থাকায় হিন্দুরা রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা ও অধিকার বঞ্চিত হয়েছে এর একটা প্রমাণ কেউ দিতে পারবে না। বরঞ্চ ভোট বাক্স হিসেবে আওয়ামীদের কাছে বিশ্বস্ত।ফলাফলও হাতে হাতে। আজকে সারা বাংলাদেশে হিন্দুদের প্রশাসনিক পদায়ন তাদের কে সংখ্যাগুরু বানিয়েছে।

♦বাঘ জাতীয় পশু হওয়ায় গরু-ঘোড়ার কোন কমপ্লেন নাই।
♦শাপলা জাতীয় ফুল হওয়ায় গোলাপ ন্যাকা কান্না করেনা।
♦কাঠালের বিপক্ষে আমের আহাজারিও শুনিনি।
♦দোয়েল গান গায় না বলে কোকিল তার জাতীয় পদ অপসারণের আবেদনও করেনি।

সব ঠিকঠাক শুধু ইসলাম ধর্ম নিয়ে চুলকানি। আজকে যদি ইসলামকে বাদ দেয়া হয়। তাতে কোন হিন্দুর সোনার ভরির দামও বাড়বে না। কিংবা মুসলমানের রুপার দামও কমবে না। দেশে হাজারো সমস্যা বিদ্যমান থাকতে ইসলাম ধর্ম নিয়ে কথা বলা শুধু ইসলাম বিদ্বেষীতাই প্রমাণ করে। আমার ক্ষমতা থাকলে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে হিন্দুধর্ম করে দিতাম। দেখতাম তাতে যে মুসলমানেরা অতি ধর্মনিরপেক্ষ তারা কি মঙ্গল গ্রহের জমির ইজারা পায় কিনা।

রাষ্ট্রধর্ম নিয়ে সাধারন হিন্দু ও অন্যান্য ধর্মের কোন সমস্যা নাই। সমস্যা শুধু পৈতৃক সুত্রে পাওয়া মুসলিম নামধারী আবু জাহাইল্ল্যার বংশধরদের আর কট্টর গুটিকয়েক হিন্দু মৌলবাদী নেতার সমস্যা।

বিঃদ্রঃ অবস্থার প্রেক্ষিতে সংখ্যালঘু বলতে মূলত হিন্দু সম্প্রদায় কেই বেশি বুঝায়। তাই লিখায় তাদের উপমা দেয়া হয়েছে।