ক্যাটেগরিঃ স্যাটায়ার

 

ডোনাল্ড ট্রাম্পের খোলা চিঠি

মাই ডিয়ার বিগ হার্ট ব্রো  , সুলেমান বাই

গ্রাম: ধইন্যাখোলা, পোস্ট ও থানা: কালীবাজার , কোটবাড়ি , কুমিল্লা

সালাম নিবেন, আশা করি সহি ছেলামতে আছেন। পর সমাচার এই যে আমি ভালো আছি।

“মিরপুর চিড়িয়াখানা’র খাঁচা খোলা, কিন্তু রয়েল বেঙ্গল টাইগারটি নেই” এই খবরটি ফেসবুকে পাওয়া মাত্রই, আপনি আপনার ধইন্যাখোলার বাসায় বাঘের ভয়ে কলাপ্‌সিবল গেটে তিনটি তালা ঝুলিয়ে দিয়েছিলেন , আমার সাউথ এশিয়ান এজেন্ট , আমাকে খবরটি জানিয়েছে। নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত-কল্পে দ্রুততার সাথে একশন নিয়েছিলেন আপনি , আপনাকে ধন্যবাদ।

আমার এজেন্ট আরও জানিয়েছে, সেই একই দিনে, আপনার দুইতলার বেলকনিতে রোদ্দুরে বসে আপনার স্ত্রী সূঁচ সুতোয় ক্ষেতা সিলাই করছিলেন, তিন তলা থেকে সেই দৃশ্য দেখে ফেলেছিলেন একজন , সূঁচের গুঁতো খাওয়ার ভয়ে তিনি পেশাবে প্যান্ট ভিজিয়ে ফেলেছিলেন তৎক্ষণাৎ । আপনার তিন তলার ভাড়াটিয়ার জন্য গভীর ভালোবাসা, সুলেমান বাই ।

এই দুইটি ঘটনা দ্বারা খুব সহজেই আপনাদের ফিলিংসের লেভেলটি আমি পরিমাপ করতে পেরেছি, এই রকম সংবেদনশীল সচেতন নাগরিকগণ আমেরিকার নির্বাচন নিয়ে অস্থির হয়ে পড়বেন সেটাই স্বাভাবিক, এই টেনশন করাটা আপনাদের  ন্যায্য অধিকার এবং একটি নাগরিক দায়িত্বও বটে ! সুলেমান বাই  কুর্ণিশ জানাই ।

“একটি গুরুত্বপূর্ণ সূত্র থেকে  আমি জানতে পেরেছি ওবামার জন্মনিবন্ধন সনদ পুরাটাই জাল”

সুলেমান বাই ফর ইয়োর কাইন্ড এটেন্সন , ইতোপূর্বে আমি গোলাপি মেরুন না বেনিআসহকলা কোন কালারে বিদ্যমান  ছিলাম তা আমেরিকা বাসীর জানা নেই । ১৯৮৭ ইংরেজি সনে আমি রিপাবলিকান হিসাবে প্রথম আত্মপ্রকাশ করি। ইংরেজি ১৯৯৯ ইংরেজি সনে আমি “রিফর্ম পার্টি অব দ্য ইউ এস এ”- তে যোগ দেই , তারপর এক ক্যাচালে নিপতিত হলে ২০০১ ইংরেজি সনে আমি পার্টি থেকে বেড়িয়ে যাই । ২০০১-২০০৮ পর্যন্ত আমি ছিলাম একজন ডেমোক্র্যাট এবং পরে সংগত কারণেই ২০০৯ ইংরেজী সন থেকে আমি একজন ‘রিপাবলিকান’ হিসাবেই আছি আপনাদের দোয়ায় । অতএব আমি আপাদমস্তক একজন হান্ড্রেডে হান্ড্রেড  রিপাবলিকান এই কথাটি সত্য নয়।

“মেক্সিকো সরকার বেছে বেছে যাদের আমেরিকা পাঠায় , তারা ভালো লোক নয়, অধিকাংশ মাদকসেবী আর ধর্ষক”

সুলেমান বাই আই ফিল সো প্রাউড অব ইয়ু  ! আপনারা অনেকেই ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন , আমার পূর্ব পুরুষের বাড়ি নাকি পশ্চিমবঙ্গের গোসাই ডাঙ্গা ! আপনারা বলেছেন , ১৮৭৩ ইংরেজি সনে ব্রিটিশরা কোলকাতার শিয়াল দহ থেকে আর্মেনিয়ান ঘাট অবধি যে ৩.৮৬ কিমি রেল লাইনটি নির্মাণ করেছিলেন, তাতে চালানোর জন্য ইঞ্জিন বিশিষ্ট গাড়িটি তখন পর্যন্ত ব্রিটিশরা আবিষ্কার করতে পারেন নাই । তাই প্রথম দিকে ঘোড়া দিয়েই নির্মিত লাইন মারফত গাড়ী চালানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। আপনারা বলতে চেয়েছেন ,রেল লাইনের উপর দিয়ে ঘোড়ায় টানা সেই ‘বাহন’টির প্রকৃত মালিক ছিলেন আমার পিতার পিতামহ, তস্য পিতার প্রপিতামহ লর্ড আর্নল্ড ট্রাম , এবং তার নামানুসারেই কোলকাতায় এই বাহনের নাম করা হয়েছিল ‘ট্রাম’ । পরে  একসময় এই ‘ট্রাম’ শব্দটি বিবর্তিত হয়ে  ‘ট্রাম্প’ হয়ে যায় । এই কথা একেবারে ডাহামিথ্যে আমি সেটাও বলছি না , শুধু মাত্র একটি ‘প’ বর্ণর জন্য কিছুটা গণ্ডগোল আছে  । আমি  ব্যাপারটি সিরিয়ালসি দেখবো , সাম হাউ আই হ্যাভ টু সল্ভ ইট , ডোন্ট ওরি – আই ওইল ডু ইট  , সুলেমান বাই ।

“হিলারি যেখানে তার স্বামীকেই সন্তুষ্ট করতে পারে না গোটা আমেরিকানদের সে কীভাবে সন্তুষ্ট করবে ?”  

 6f687bd3491df4140ba3354dc2fb0ebb-002

গণতন্ত্র কী?

হা হা, ইহা খুবই মজার একটি তন্ত্র বটে ! তবে জনগণ থেকে শুধু মাত্র  ‘গণ’ শব্দটি নিয়ে  তাকে মাপা-মাপি করলে ভুল হতে পারে । আমার বিশ্বাস ,  জনতন্ত্র মনতন্ত্র ধনতন্ত্র স্বৈরতন্ত্র স্বেচ্ছাতন্ত্র ক্ষমতাতন্ত্র তন্ত্রমন্ত্র -এই রূপ নানা ছদ্মবেশে বিশ্বব্যাপী ‘গণতন্ত্র’ বিরাজমান। তবে ‘গণতন্ত্র’  নিয়ে সহজেই  ছেলে খেলা করা সম্ভব  , সেটা বাংলা সাহিত্যের সেই অবিসংবাদিত গল্পটি না পড়লে আমি জানতেই পারতুম না ! কে বেশী জানে ? এই পরীক্ষায় অবতীর্ণ হলেন দুই জন , যাদের একজনের অল্পবিদ্যা আরেক জনের অধিক বিদ্যা।  গ্রামের স্কুল মাঠে হাজার হাজার জনতা উপস্থিত। কম জানা ব্যক্তিটি অধিক জানা পণ্ডিত ব্যক্তিটিকে প্রশ্ন করলেন -বলেন তো ‘আই ডোন্ট নো’ এর মানে কী? পণ্ডিত উচ্চ কণ্ঠে জবাব দিলেন- ‘আমি জানি না’। উল্লাসে ফেটে পড়লো গ্রামের সকল লোক , মূর্খ ছিনিয়ে নিলো জ্ঞানীর মুকুট।

“ইভাংকা যদি আমার মেয়ে না হতো , তাহলে হয়তো আমি তার সাথে  প্রেম করতাম”

সুলেমান বাই আমি গভীর বেদনাবোধে আক্রান্ত  হয়ে জানাচ্ছি , তারা আমাকে মূর্খ বলেছেন , বলেছেন আমি বদ্ধ উন্মাদ , আমি অসভ্য বর্বর , আমি মাস্তান লম্পট , আমি জুয়ারি আমি চরিত্রহীন । অধিকাংশ আমেরিকানরা খেয়ে দেয়ে তারপর ব্যবসা করেন, আর আমি ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ ব্যবসা করে তারপর খাওয়া দাওয়া করি । আমি একজন পরিশ্রমী,  ব্যবসা আমার পেশা  , রাজনীতি নয়। আমি জানি বিশ্ব ব্যাপী অরিজিনাল সাদা চামড়া’রা মুখে যতই বর্ণ বাদ বিরোধী কথা বলুক , এদের চিন্তা ভাবনা মেধা ও মননে , বর্ণবাদ সরবরাহ করে তাদের ব্লাড। আমি খুব ভালো করে জানি  সাদা চামড়ার এই সকল আমেরিকানরা  ছুপা বর্ণবাদে আরও এক কাঠি সরেস । তাদের মিনিমাম দেশাত্মবোধটা আছে ,  কিন্তু তাতে কোন ফিলিংস নেই , এই চলে যাচ্ছে অনেকটা এই টাইপ। রাজার হালে, হেলে দুলে, ভালো লাগলে কাজ কাম, আদারওয়াইজ অয়েল ইয়োর ঔন মেশিন । বলা যায় বাপে রাইখ্যা গেছে , তাইলে তর এত কাম করণের কী আছে ?

আর অভিবাসীদের দিকে তাকিয়ে দেখুন , সেখানে কী হচ্ছে ? তাদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে , তারা পরিশ্রমী , তারা ট্যালেন্ট , তারা ফাইটার । এই বিউটিফুল আমেরিকা গড়ার পেছনে অভিবাসীদের অবদানকে অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। তাই আমি নিজে এলিট হয়েও , নেমে গেলাম রাস্তায় । সাদা চামড়াদের বাড়ি যেয়ে যেয়ে নক করতে শুরু করে দিলাম।  তাদের কাছে জানতে চাইলাম -পর পর দুই বার ক্ষমতায় থেকেছে ওরা , কী পেয়েছো তুমি ? তারা এমনটা ভেবে দেখেনি কখনও , তাই ইনস্ট্যান্ট  উত্তর দিতে পারলো  না কেউই । বললাম -তাইলে কী আর করবা পইড়া পইড়া ঘুমাও ,শালা বেকুবের দল ! বার্নি স্যান্ডার্স যিনি হেরে গেছিলেন হিলারির কাছে , তিনি ডেমোক্র্যাট হয়েও এইরকমটা ভেবেছিলেন ।

‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ । জ্ঞান বিজ্ঞান , ইকোনমিক্স , সোস্যাল সায়েন্স , আর বাবারে সোনারে  ‘ওই শ্যাল ওভারকাম’ এই জাতীয় ঘুম পাড়ানি গান দিয়ে হবে না, বুঝে গেলাম। আচার আচরণে কথাবার্তায় কোনদিনই সুশীল ছিলাম না আমি , কিন্তু এই বার আমি অশালীনতা কে গলার মালা রূপে বরণ করে নিলাম । মুসলিম , মেক্সিকান , হিস্পানি, কালো এবং মেয়েদের -কাউকে ছাড়লাম না , যা খুশী তাই বলে যেতে লাগলাম অবলীলায় । বললাম,  নির্বাচনে কারচুপি হলে, জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে । আমার  মুখ পিরনহা মাছের চাইতেও অধিক আক্রমণাত্মক হয়ে গেলো , বিশ্বজুড়ে ছি ছি রব পড়ে গেলো , আমি হয়ে গেলাম বিশ্বের সবচাইতে জঘন্য নিকৃষ্টতম একজন। এদিকে ক্রমাগত আমি কিন্তু অবিরাম খুঁচিয়েই যাচ্ছি – ওহে আবালস্য সাদা চামড়া আমেরিকান , দুই দুই টার্ম ক্ষমতার মসনদে থেকে  ডেমোক্র্যাটরা কী কী দিয়েছে , ভেবে পেয়েছো  কি তুমি ? এইবার তারা সমস্বরে চিৎকার করে উত্তর দিলো  ‘আই ডোন্ট নো’ তারপর বলল ‘ওই ডোন্ট নো’। বুঝতে পারলাম প্রচলিত রাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থার উপর তারা যথেষ্ট বিরক্ত ।  এভাবে আমি বর্ণ বাদ উস্কে দিয়ে ,  সাদা চামড়া’দের ঘুম ভাঙ্গিয়েছি , তাদের  ক্ষ্যাপিয়ে তুলেছি, সেটা ছিল একপ্রকার নেস্টি খেলা । জেতার জন্য আমি খেলেছি , মিডিয়া আমাকে অপছন্দ করার ব্যাপারে  ছিল পুরাই  একশো তে একশ  , তাই  মিডিয়া আমাকে অন্ধকারেই রেখে দিলো।

“YOU HAVE TO THINK ANYWAY , SO WHY NOT THINK BIG?”

সুলেমান বাই,  চরম ফাওল খেলেও বিশ্বকাপ জেতার ইতিহাস আছে , আর বিশ্বজুড়ে দেশে দেশে সবচাইতে বড় গেইম শো’র নাম এখন রাজনীতি। আমি এই খেলার প্রতিটি ধাপে চূড়ান্ত রকমের ফাইট করেছি , হারিনি  আমি জিতেছি, অতিক্রম করেছি নিজেকেই নিজে বারংবার।স্যরি দ্যাট ওয়াজ নট আ জেন্টলম্যান গেইম।

  • আপনারা প্রথমে  বলেছিলেন আমি এই বয়সে দৌড়াতে গিয়ে মুখ থুবরে পড়ে যাবো -আমি পড়ি নি।

  • বলেছিলেন যদি বা কিছুটা দৌড়াতেও পারি কিন্তু ফাইনালি গাছে উঠতে পারবো না -আমি গাছে উঠেছি।

  • যদি বা গাছে উঠতেও পারি কিন্তু প্রাইমারীতেই আমাকে গাছ থেকে নেমে যেতে হবে -আমি নামি নি ।

  • প্রাইমারীতে যদি বা উৎরেও যাই তথাপি রিপাবলিকান পার্টির মনোনয়ন আমি পাবো না -আমি পেয়েছি। 

  • রিপাবলিকানের মনোনয়ন যদি বা পেয়েও যাই , নির্বাচনে ভরাডুবি হবে আমি হেরে যাবো -আমি হারিনি।   

আমি বর্বর ইতর লম্পট, তবুও মহান আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হতে চেয়েছি -কেননা আমার রুচি ভালো। তোমরা সুশীল মহান, তবুও ইতিহাসের বৃদ্ধ এবং নিকৃষ্টতম প্রেসিডেন্ট কে নির্বাচিত করেছো -কেননা তোমাদের রুচি খারাপ। 

সুলেমান বাই আমাকে অনুভব করুন । জন্মগ্রহণ পরে আমার প্রাণ প্রিয় মা আমার মুখে মধু দিতে বিস্মৃত হয়েছিলেন, সে কারণে শৈশব থেকেই আমি সুমধুর কথা বলতে পারি না, সম্ভবত এই কারণেই আমেরিকার বাইরে পৃথিবীর কোথাও আমার কোন শুভাকাঙ্ক্ষী নেই । কিন্তু এজেন্ট মাধ্যমে আমি জেনেছি আপনার দেশে, দ্য ফাদার অব মাইক্রো ক্রেডিট সর্বজনাব ইনুচ ভাই’র বিরোধী একংশ যারা  মূলত সরকার সমর্থক  তারা আমাকে যথেষ্ট আবেগ সহকারে  বিবেচনা করছেন , আমি এই কৃতজ্ঞতার বৃহৎ ঋণ কী দিয়ে শুধাইবো  জানিনা , সুলেমান বাই ! ইনুচ ভাই হিলারি ম্যাডামের নিকট বন্ধু , তার মানে হিলারি ম্যাডাম পাশ দিলেই  ইনুচ ভাই বলে দেবেন , সাথে সাথে রাষ্ট্রের গণেশ উলটে যাবে , তাই তো ? নিয়মানুযায়ী সেক্রেটারি অব স্ট্যাট এর পরামর্শেই  ইউএসএ প্রেসিডেন্ট গণেশকে  উল্টে দেন , তা যেহেতু এতদিন হিলারি ম্যাডাম করেন নাই , তাহলে এই ফাও টেনশনের কী মানে? আর যেখানে সন্তান পায় না  , নিজ  বাবা মায়েরে  গোনার টাইম , সেখানে আপনি গাইছেন শালা দুলাভাই  আর বন্ধু বান্ধবী’র রাইম !

“টেডক্রুজ , তুমি আমার স্ত্রী মেলানিয়ার একটি ছবি প্রচারণায় ব্যবহার করেছো , চাইলে আমিও কিন্তু তোমার স্ত্রীর ঢাক পেটাতে পারি”

সুলেমান বাই , এজেন্ট সূত্রে  খবর পেলাম , এখানে নাকি সরকার বিরোধীরা বলেছেন -‘আমেরিকা দেখে শিখে নিন’ । মার্কিন ইলেকশনে’র ক্যারফা ও ক্যাচাল সমূহের বেসিক কনসেপ্ট অর্থাৎ তত্ত্ব সমূহের কপিরাইট আপনাদের, সেখানে  আপনারা আবার আমাদের কাছ থেকে কী শিখবেন বাই ? আমার এজেন্ট বলছে – সরকারের এক মহামান্য মন্ত্রী নাকি বলেছেন, ‘বিরোধীরা হিলারিকে চেয়েছেন তাই হিলারি ডাব্বা মেরেছে’ । আমার মনে হচ্ছে  এই মন্ত্রী মহোদয়’ই সম্ভবত কলিযুগের নস্টাড্রূমাস , যাকে আমি বাত্তি নাগায়ে খুঁজতেছি। মাননীয় মন্ত্রীকে ইউনাইটেড স্ট্যাটস অব আমেরিকার প্রধান জ্যোতিষ কাম সেক্রেটারি অব স্ট্যাট -এই পদে জরুরী ভিত্তিতে নিয়োগ দিতেই হইবো !

পরিশেষে  একটি ছোট্ট পরামর্শ -সুলেমান বাই  দিন কাল এমনিতেই খুব একটা ভালো নয় , তাই আগামী আট বছর  আমার ওদিকে ট্রাই না করলে ভালো করবেন, টাকা হলে আপনার দেশে ড্রাইভার , কাজের বুয়া , ঘর মুছনি ,চৌকিদার  সহজেই আপনি এভেল করতে পারেন -আমেরিকায় একজন মিলিয়োনিয়ার , তিনিও  তা  পারেন না।আপনার দেশে আপনি যেমন খুশি ড্রাইভিং করেন, ভ্যাট  ট্যাক্স এণ্ড সেক্স , করেন- কে আপনারে ঠ্যাকায় ! এতো সুখ পৃথিবীর কোথাও আপনি পাবেন না । আপনারা এইদেশে বাস করেন জাস্ট লাইক আ কিং , আমেরিকায় এসে আপনি হবেন বলদ ওইদাউট শিং , বলেন তো কোন মানে আছে ?  কোনই মানে নাই,  সুলেমান বাই , গুড নাইট এণ্ড বাই বাই ।

আপনার একান্ত

‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ ফ্রম ওয়াশিংটন ডিসি ।