ক্যাটেগরিঃ প্রশাসনিক

 

অনেক ব্যস্ত একটি রাস্তা। সবসময় গাড়ি যাওয়া আসার সারি লেগেই থাকে। এপারে বিসিএস কম্পিউটার সিটি যেখানে ক্রেতা ও সেবা গ্রহীতার সংখ্যা অনেক। পাশে লায়ন্স চক্ষু হাসপাতাল প্রতিদিন রোগীর সংখ্যা অনেক বেশি। এর ওপর দিকে গড়ে উঠেছে বিমান বাহিনীর উদ্যোগে বিমান জাদুঘর। বাচ্চা, বুড়ো সব মানুষের বিমান সম্পর্কে অনেক ধারণা পেতে এক সুন্দর উদ্যোগ। অন্যদিকে ঢাকার চার দেয়ালে ঘেরা মানুষদের সবুজ ঘাসের উপর দিয়ে খালি পায়ে হেঁটে হেঁটে নিঃশ্বাস নেয়ার একটা চমৎকার সুযোগ। বিমান জাদুঘরে প্রবেশ টিকিটের মূল্য ২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ টাকা করা হয়েছে যা অনেকের পক্ষে একটু বাড়তি |

যাহোক, আমার দৃষ্টি অন্যদিকে। আর তা হলো এতো ব্যস্ত রাস্তার এপার থেকে ওপারে যাওয়া আশা বেশ ঝুঁকির বিষয় | কম্পিউটার প্রেমী, চক্ষু রোগী ও বিমান জাদুঘর দর্শনার্থী সবার জন্যই রাস্তা পার হতে মনে আতঙ্ক কাজ করে – এই বুঝি জীবনের আলো কেড়ে নিয়ে গেলো …।

মাননীয় যোগাযোগ মন্ত্রীর বলিষ্ঠ ভূমিকার কারণে অনেক নির্বোধ চালকও দায়িত্বশীল হতে শিখেছে | ভিআইপিদের গাড়ি উল্টো দিক দিয়ে চলা একটু হলেও কমেছে। সেই সফল মন্ত্রী যদি একটা ফুট ওভার ব্রিজ নির্মাণ করে দেন তাহলে উপরে উল্লিখিত মানুষরা অনেক জীবন ঝুঁকির হাত থেকে রেহাই পেতে পারে | আমাদের দেশে কেবল অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটলেই বিষয়টা সবার নজরে আসে | সব সময় তা কেন?

পৃথিবীর বুকে আমরাই কর্মঠ ও সকল প্রতিকূলতায় ঘুরে দাঁড়ানোর মতো অদম্য সাহসী এক জাতি। আমাদের দেশের প্রতিটা প্রাণই অনেক মূল্যবান। প্রতিটা মানুষের মাঝেই আছে অনেক…অনেক… প্রতিভা …। সেই সফল প্রতিভার অকাল প্রয়াণ আমাদের কারো কাম্য নয়। আমি মনে করি আমাদের দেশের টাকার অভাব থেকে ভালো উদ্যোগ নেয়ার অভাব ঢের। আমি জানি না সড়ক ও যোগাযোগ বিভাগের কোনো কর্তা ব্যক্তির চোখে এই ছোট্ট লেখা ছোট্ট চাওয়া পড়বে কি না। তবে মাননীয় সফল যোগাযোগ মন্ত্রীর কাছে বিশেষ প্রত্যাশা, আগারগাঁও এলাকায় উক্ত স্থানে একটা পায়ে হাঁটা সেতু নির্মাণ কার্যক্রম নিন এবং আতঙ্কিত মানুষের দোয়া ও ভালোবাসার ব্যক্তি হিসাবে বেঁচে থাকুন।