ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকার তনু নামের মেয়েটার ধর্ষণ ও হত্যা নিয়ে সারা দেশে তোলপাড় আন্দোলন হয়েছিল।  আমার দেখা সকল বড় বড় বিদ্যাপীঠ সহ সারাদেশ ন্যায় বিচারের দাবিতে সোচ্চার ছিল। কিন্তু তনু হত্যার বিচার কি তার পরিবার পেয়েছে?

এদেশের সমাজ, এদেশের প্রশাসন, এদেশের সরকার, বিচারিক আদালত কোনো প্রতিষ্ঠানই কি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছে তনুর পরিবারের প্রতি?

পত্রিকা মারফত জেনেছি, তনুর পরিবার শুধু হেনস্থার শিকার হয়েছে। দেশে কিছু আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানসহ সরকারের সহযোগিতায় অ্যাসিড সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে শাস্তির কিছু দৃষ্টান্ত স্থাপন করা গেছে বলেই আগের তুলনায় অ্যাসিড সন্ত্রাস কমেছে। তেমনি ভাবে দেশের সকল সচেতন সমাজকে জোরালো ভাবে এগিয়ে এসে ধর্ষণের  বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে পারলে ধর্ষণ সন্ত্রাস কমবে।

অনেকে হয়তো দ্বিমত পোষণ করতে পারেন, তবে এদেশের সব ধরণের সন্ত্রাস দমন করতে হলে কঠোর ও নির্মম সাজার বিকল্প নেই।

আসামি ধর্ষক দোষী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে শাস্তি কঠোর করতে হবে। যেমন-

১) তার অর্জিত সকল সম্পদের মালিকানা বাজেয়াপ্ত হতে হবে
২) তার সর্ব নিম্ন সাজা হবে ১৪ বছর অথবা ক্ষেত্র বিশেষে প্রাণদণ্ড
৩) তার নাগরিকত্ব বাতিল হবে ও তার সকল সনদ বাজেয়াপ্ত হবে
৪) তার নাম ঠিকানা ছবি সহ দেশের অপরাধীর তালিকায় জাতীয় কোনো ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা যেতে পারে

যারা অর্থবিত্তে পাহাড়সম ছিল, সেই সব রাজাকারের বিচার যদি এদেশ করতে পারে,  তাহলে লোলুপ নব্য রাজকার ( ধর্ষক, দুর্নীতিগ্রস্থ রাজনীতিবিদ থেকে ঘুষখোর আমলা) সবার বিচার করা সম্ভব | দরকার শুধু কোনো এক প্রজন্মের বলিষ্ঠ ও দৃঢ় পদক্ষেপ।