ক্যাটেগরিঃ প্রবাস কথন

 

ব্লাক ফ্রাইডে শেষ না হতেই এখানে শুরু হয়ে গেল সাইবার মানডে। এই দিনে কোম্পানীরা মূল্যহ্রাসে তাদের পণ্য বিক্রি করে। সাধারণত দেখা যায় শিপিং এর জন্য কোন আলাদা টাকা গুনতে হয়না ক্রেতাকে এই দিনে।

সাইবার মানডের কালচারটা অত পুরোনো না। ২০০৬ সালে বলতে গেলে এর শুরু। এখন সব কোম্পানীই বলতে গেলে এতে অংশগ্রহণ করছে। জুতো, জামা, ইলেকট্রনিক্স, খেলনা, এয়ারলাইন কোম্পানী, ডিপার্টমেন্ট স্টোর কেউ বাদ নেই। সংগত কারণেই বাদ নেই এমাজন এবং ইবে’র মত ইন্টারনেট নির্ভর কোম্পানীগুলো।

আমার জিমেইল একাউন্ট কাল থেকে উপচে পড়ছে নানা কোম্পানীর নানা রকমের সাইবার মানডের অফারে ভরপুর ইমেইলে। ব্লুমবার্গে একটু আগে পড়লাম যে দুপুর ১২টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের চাইতে এবারের বিক্রয় ২০% বেশী। বিশ্ল্বেষকদের মতে গতবারের রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে এই বছরের সাইবার মানডে – ২০১০এ এক বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছিল বিক্রয় অংক। এ বছর ক্রেতারা ভীড় করছে টার্গেট, এ্যাপেল, বেস্ট বাই, এমাজন এবং ওয়ালমার্টের ওয়েবসাইটে তাদের পছন্দের পণ্য কিনতে।

অবস্থা দেখে বোঝাই যাচ্ছে না যেই এই দেশ দেউলিয়া হবার পথে। অবশ্য ব্লাক ফ্রাইডে এবং সাইবার মানডে কিছুদিনের জন্য হলেও চাঙ্গা করে তুলে দোকানপাট এবং বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোকে।