ক্যাটেগরিঃ সেলুলয়েড

 

পরপর মারা গেলেন আমেরিকার হুইটনি হিউস্টন এবং আমাদের দেশের হুমায়ুন ফরীদি। দু’টি অকাল মৃত্যুই বয়ে এনেছে হতাশা দর্শক এবং শ্রোতাদের মাঝে। পৃথিবীর দু’টি দেশে মৃত্যু দু’টি ঘটলেও একটি ব্যপারে যেন মিল আছে – দুই মেধাবী শিল্পীরই ছিল অনিয়ন্ত্রিত জীবন। যদিও মিডিয়া জগতে এটি নতুন কোন ঘটনা নয় কিন্তু প্রতিবারই এমন দু:খজনক মৃত্যু ভাবিয়ে তোলে। কেন এই মেধাবী মানুষগুলো মাদক, মদ এবং তামাকের ভয়াল থাবা থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারলেন না? একটু শৃঙ্খলাবদ্ধ জীবন তাদের হয়তো বাঁচিয়ে রাখতো আরও অনেকদিন। ভক্তরাও অকালে হারাতো না তাদের প্রিয় গায়ক/গায়িকা, অভিনেতা/অভিনেত্রী বা লেখক/লেখিকাকে।

হলিউডে মদ এবং মাদকের কবলে অকালে প্রাণ হারিয়েছে এমন বিখ্যাত ব্যক্তির লিস্ট লিখে শেষ করা যাবে না। এলভিস প্রিসলী, জুডি গারল্যান্ড, জিমি হেনড্রিক্স, মেরিলিন মনরো তাদের কয়েকজন মাত্র। বাংলাদেশেও এমন মৃত্যু প্রথম নয়। সর্বপ্রথম এমন কোন মৃত্যুর সংবাদ যেই তারকার পেয়েছিলাম, তিনি হচ্ছেন নায়ক জাফর ইকবাল। অত্যাধিক মদ্যপানের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তিনি। খুব সম্ভবত ১৯৯১ সালের কথা এটি। দেশের মিডিয়া জগতে মদ, মাদকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের কথা আমরা প্রায়ই শুনতে পারি বিভিন্ন মাধ্যম থেকে।

জানিনা আরও কত মেধাবী প্রাণ ঝরে যাবে এভাবে অকালে – ভাবতেই খারাপ লাগে।