ক্যাটেগরিঃ অর্থনীতি-বাণিজ্য

সংবাদপত্রকে বিস্শাস করাই আমাদের সহজাত প্রবৃত্তি। পত্রিকাগুলিও তা জানে। তাই মাঝে মাঝে মানুষের বিস্শাসকে পুজি করে বেক্তিসার্থ হাসিলের মোক্ষম এক হাতিয়ার হয়ে ওঠে এই সংবাদপত্র। অন্য দেশের কী অবস্থা জানি না, তবে আমাদের দেশে এটা পারমাণবিক অস্রের চেয়েও ভয়ংকর। এত ভয়ংকর হতে পেরেছে কারণ এর প্রতিরোধে ভয়ংকর কোনও পদক্ষেপ নেই। আইন দুর্বল, তাই অপরাধীরা উজ্জল।

আমার এক আত্মীয়, পেশায় রিপোর্টার। গত 10 বছরের অধিক তিনি কয়েকটি পত্রিকার সাথে জড়িত ছিলেন। এখন একটি পত্রিকার সাথে আছেন। ভালই আছেন। কলেজের পর আর কোনও সার্টিফিকেট দরকার হয়নি তার। এমন কোনও বিষয় নেই যার উপর তিনি একটি লেকচার দিতে অপারগ।

বাড়িতে সংবাদপত্র রাখি। কয়েকটি রাখি। কারণ, সবগুলি থেকে গড় একটি হিসাব করে সত্ত-মিত্থা যাচাই করতে হয়। বেশিরভাগ সংবাদপত্রই এখন আবহাওয়া বার্তার মতন- বৃষ্টি হতেও পারে, নাও হতে পারে-র মতো রিপোর্টটি 100% সততো হতেও পারে, নাও হতে পারে।

ডেসটিনির উপর কয়েকটি সংবাদপত্র ও কয়েকটি টিভি চেনেলের পরিবেশন ছিল আতকে ওঠার মতো। জনগণ অন্ধকারে ভূত ভেবে আতকে ওঠার পর যদি দেখে ওটা গাছের পাতার নড়াচড়া- তখন অবস্থাটা কী দাড়াবে!! পরবর্তী বক্তব্যগুলো সাজিয়ে রাখূন, যাতে খূব বেশি লজ্জা পেতে না হয়। সত্তের কোনও দল নেই। সত্ত নির্দলীয়।

আবহাওয়া বার্তার মতন আপনাদের বার্তাগুলো দেশের জনগণ পড়লো ও দেখলো। এবার জনাব রফিকুল আমিন-এর বার্তাগুলিও আপনাদের গণমাধ্যমে জনগণকে দেখান ও পড়ান প্লিজ। মুদ্দ্রার এপিঠ ওপিঠ দুদিক জানবার অধিকার আছে সকল পাঠকের।

সবার জন্য শুভেচ্ছা.