ক্যাটেগরিঃ অর্থনীতি-বাণিজ্য

আজ অংক ও লজিক দিয়ে মিডিয়ার প্রপাগান্ডার জবাব
বেসিক একটা ধারনা দিয়ে আজকের বিষয়টি শুরু করব।
ধরুন, আমি স্টেডিয়াম মার্কেট থেকে একটা এক্সার্সাইজ মেশিন কিনলাম। মূল্য পরিশোধ করলাম এবং পণ্যটি নিয়ে বাসায় চলে আসলাম। ব্যস, এরপর বিক্রেতার সাথে আমার আর কোনও লেনদেন থাকলো না।
এখন মনে করুন আমি ডেসটিনি থেকে এক্সার্সাইজ মেশিনটি কিনলাম। কিনার সাথে সাথে আমি আমার মোবাইল ফোনে একটি এসএমএস পেলাম- ওই এসএমএস-এ একটি কোড আছে যাতে পয়েন্ট উল্লেখ করা আছে। স্টেডিয়াম থেকে কিনলে আমি কোনও পয়েন্ট পেতাম না, কিন্তু এখানে পেলাম। এভাবে যখন আমার টোটাল পয়েন্ট 500 হবে তখন আমি একটি ফর্ম পূরণ করে ডেসটিনির সফ্টওয়্যার-এ একটি বিজনেস সেন্টার খুলতে পারব। মনে করুন আমি সেন্টারটি খুললাম।
@ বিজনেস সেন্টার 1

সেন্টারটি খোলার সাথে সাথে ওই সেন্টার-এর আইডিতে “এইচ পি ডি” হিসাবে একটা টাকার অংক জমা হয়ে যাবে। যা আমি তুলে নিতে পারব। ধরুন, কিছুদিন পর টুকিটাকি কিনাকাটার মাধ্যমে আমার আরও 500 পয়েন্ট হাতে এলো। আমি তখন আরেকটি বিজনেস সেন্টার নিলাম।
@1
@2

অতপর আরেকটি নিলাম। এখানে সময়ের কোনও লিমিটেশন নেই। প্রতিবারই আমি “এইচ পি ডি” পাবো।
@1
@2 @3

যখন উপরের চিত্রটি সম্পূর্ণ হবে তখন আমার প্রথম বিজনেস সেন্টারটি অতিরিক্ত আয় করবে আরেকটি অংকের টাকা। এই সিস্টেমটিই 50-50 বেলেন্স বাইনারি মাট্রিক্স সিস্টেম হিসেবে ডেসটিনি উদ্ভাবন করেছে। যা অন্য কোথাও নেই। এখানে মানুষ বিবেচ্চ নয়, সেন্টারই বিবেচ্চ। এই চিত্ত্রের মধ্যে যে কোনও একটি সেন্টার আপনারও হতে পারে। আপনিও উপার্জন করবেন, আমিও করব। আমি শুধু বেসিক একটি হিসাব দিলাম। কেউ ক্ষতিগ্রস্থ হলো কী? ডেসটিনি তার লভ্বাংস থেকে সেন্টারগুলোকে পেমেন্ট করছে- এখানে মিডিয়ার প্রবলেম কোথায়? কেন এত মায়াকান্না?
পেমেন্ট-এর আরও অনেক ধাপ আছে যা একজন মানুষের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। সুতরাং কোনও মন্তব্য করার আগে সিস্টেমটিকে আমাদের বুঝা উচিত।

জ্ঞান, বিস্শাস, সপ্ন, কর্ম ও ভ্রাতৃত্তবোধ- এই 5টি বিষয় হলো মানবতার ভিত্তি, উন্নতির সোপান। এই বিষয়গুলি ডেসটিনি অনুসরণ করে কিনা যাচাই করা যাক:

জ্ঞান:
শতভাগ মানুষ কোনও না কোনও পন্যের বেবহারকারী। কিছু কিছু মানুষ সেই পন্য উত্‍পন্ন করেন। কিছু মানুষ ওই পন্য বাজারজাত করেন। এরই মাঝে কিছু মধ্যসত্তভোগী আবির্ভূত হন যারা পন্যের মূল্য বেসামাল করে ফেলেন। ফলে পন্যের উত্‍পাদনকারী যথাযথ মূল্য পান না এবং ক্রেতাসাধারণও ঠকেন। পন্যের উত্‍পাদনকারী ও ভোক্তার সার্থরক্ষায় বিজ্ঞানের নুতন কন্সেপ্ট “নেটওয়ার্ক মার্কেটিং সিস্টেম”। সুতরাং একজন পন্য উত্‍পাদনকারী অথবা পন্যের ভোক্তা হিসেবে “নেটওয়ার্ক মার্কেটিং সিস্টেম”-টিকে আমাদের জানা উচিত। উদাহরনটি খেয়াল করুন:
আমরা জানি যে, কেউ উপর থেকে পড়ে গেলে বেথা পায়। 100 তলা থেকে পড়লে বেশি বেথা পাবে নাকি 101 তলা থেকে পড়লে বেশি বেথা পাবে?- এটা কিন্তু ভাববার বিষয়। বেথা পাওয়ার বিষয়টি আমাদের জানা আছে, কিন্তু তুলনা করতে গিয়ে উচ্চতার বিষয়টি আমাদেরকে চিন্তা করতে হয়েছে- অর্থাত্‍ আমরা আমাদের জ্ঞানকে কাজে লাগিয়েছি। সুতরাং আমাদের জ্ঞান-ভান্ডারে যত বেশি তত্থ থাকবে আমরা তত বেশি সঠিকতার মধ্যে থাকবো। মহাশুন্যে স্পেসসাটল থেকে দড়ি বেধে লাফ দিলেও কোনও বেথা পাওয়ার সম্বাবনা নেই। ডেসটিনি 2000 লি:-এর আহবান হচ্ছে আগে জানুন, বুঝুন, তারপর আসুন।

বিস্শাস:
জ্ঞান হতে আসে বিস্শাস। অজ্ঞতা হতে আসে আফসোস, হাহাকার। আমরা বিস্শাস করি আগুনে হাত দিলে হাত পুড়ে যাবে। কিন্তু ছোট বাচ্চাটি তা বিস্শাস করে না। তাই আগুন দেখলে ধরতে চায়।
সৌদি আরবের আইনে চুরি করলে হাত কেটে দেয়া হয়। সারাদিন ঘুরেও একজন হাতকাটা লোক পাবো কিনা সন্দেহ। কেন পাবো না জানেন? কারণ তারা বিস্শাস করে যে, চুরি করলেই হাত কেটে দেয়া হবে। সুতরাং বিস্শাস মানুষের কর্মকে প্রভাবিত করে।
আমি বিস্শাস করি- ডেসটিনি মানুষের জীবন বদলায়। প্রমাণ আছে লক্ষ লক্ষ।

সপ্ন:
যদি যুক্তি দিয়ে, অংক দিয়ে আপনার জ্ঞান ডেসটিনিকে বিস্শাস করতে বলে তবে সিদ্ধান্ত আপনার। যদি বিস্শাসটুকু দৃঢ় হয়- সফলতা সময়ের বেপার মাত্র।
সপ্ন আসলে কী?- যা আমরা ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দেখি, নাকি যা আমাদেরকে ঘুমুতে দেয় না।
সফলতা জীবনে দুই পর্যায়ে আসে। প্রথমে কল্পনায়, অতপর বাস্তবে। ধরুন, আপনি একটি গাড়ি কিনলেন। কল্পনায় গাড়িটি আপনি বাস্তবের আগেই কিনেছেন। যদি কল্পনাই না করতেন- কোনদিনই গাড়িটি কেনা হতো না।
সপ্নকে লালন করুন। সপ্ন চুরি হয়। আপনার দ্বারা “একাজ হবে না, ওকাজ হবে না” বলে নিরুত্সাহিত করার লোক অনেক পাবেন। যে ছোট্ট মেয়েটি ছোট্ট ডিঙ্গিতে করে একা মহাসাগর পাড়ি দিল- সে কী তার আত্মীয়-সজন বন্ধু-বান্ধব সবার অনুমতি নিতে পেরেছিল? তার সপ্নের তেজ এত বেশি ছিল যে কোনও কিছুই তাকে দমাতে পারেনি।

কর্ম:
কর্ম বেতীত কোনও সপ্ন বাস্তবায়ন হয় না। প্রিয় বাড়িটি করার জন্য আপনাকে প্লান পাস করতে হয়েছে, ইট বালি কিনতে হয়েছে ইত্তাদি। আপনি আপনার লক্ষ স্থির করুন, সফলতায বিস্শাস করুন, এগিয়ে যান।
ডেসটিনি আপনার সামনে এমন একটি উপার্জনের পথ খুলে দিয়েছে যেখানে আপনি আপনার বর্তমান কোনও কিছুকেই উপেক্ষা না করে শুধু অবসর সময়টুকু বেবহার করেই সফল হতে পারেন। অন্যকেও সফল করতে পারেন। মজার বেপার হলো- উপার্জনটি বংশ পরমপরায় চলে।
ধরুন, একটি অন্ধ লোক হেটে যাচ্ছে, তার সামনে একটি গর্ত। আপনি দাড়িয়ে থেকে তার পতনও দেখতে পারেন অথবা তাকে ঘুরিয়েও দিতে পারেন। আপনার ইচ্ছা। ডেসটিনির মাধ্যমে আপনি আপনার প্রিয় মানুষগুলোকে অর্থনৈতিক মুক্তির পথ দেখাতে পারেন। এটাও আপনার ইচ্ছা।

ভ্রাতৃত্তবোধ:
প্রায় সকল কর্মক্ষেত্রেই প্রতিযোগিতা থাকে, হিংসা থাকে, অসহযোগিতা থাকে। ডেসটিনি এমন একটি প্লাটফর্ম যেখানে আপনি সর্বস্তরে সহযোগিতা পাবেন। দেখবেন, সবাই চায় যে আপনি উপার্জন করুন। ইর্ষা করার মত কাউকেই আপনি খুজে পাবেন না।

ধনী হওয়ার একটি সুত্র আছে জনাব বিল গেট্স-এর :
ইউ উইল নেভার বি রিচ আনলেস ইউ মেক আদার পিপল রিচ।

শুভেচ্ছা।