ক্যাটেগরিঃ অর্থনীতি-বাণিজ্য

 

কয়েকটি গণমিডিয়ায় ডেসটিনিকে নিয়ে বিস্তর লিখালিখি/আলোচনা হয়েছে এবং এখনো হচেছ। মিডিয়ায় প্রকাশিত তথ্যকে বিশ্বাস করা মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি। নিজের অজানতেই আমরা অনেক অসত্য তথ্যকে গলাধঃকরণ করি এবং ঐ অসত্য তথ্যকে সত্য হিসেবে অপরের নিকট প্রচার করি। মানুষের সরল বিশ্বাস ও অজ্ঞতাকে পুঁজি করেই হলুদ সাংবাদিকতা টিকে আছে দুনিয়াজুড়ে। ধরা পড়লে বিস্তর জরিমানা ও প্রাণখোলা ঠেঙানিও হজম করে এই হলুদ সাংবাদিকতা ।

কোন বিষয়ে ভালোমন্দ মন্তব্য করার আগে ঐ বিষয়ে নিজের কাছে তথ্য থাকা উচিত। তথ্যবিহীন মন্তব্য হাসির খোড়াক জোগায়। বেশ কয়েকজন blogger ভাই না বুঝেই ডেসটিনিকে নিয়ে অনেক বিরূপ মন্তব্য করেছেন। কোন question করলে উওর এড়িয়ে গেছেন অথবা কটূক্তি করেছেন। পরবর্তী মন্তব্য করার আগে নীচের বিষয়গুলো clear হওয়ার জন্য অনুরোধ রইলোঃ

(১) ডেসটিনি কার সাথে প্রতারণা করেছে? সদস্যদের সাথে নাকি যিনি সদস্য নন তাঁর সাথে? সদস্যরা অভিযোগ করছে না, কিনতু আপনার ঘুমের ব্যাঘাত হচেছ কেন?

(২) ডেসটিনির একজন পরিচালকও পালিয়ে গেলেন না কেন? (অন্যান্য অভিযুক্ত কোম্পানীর পরিচালকগণের ইতিহাস স্বরণ করুন)

(৩) শতকোটি টাকা বিদেশে পাচার কে করলো? কোন একাউন্ট থেকে কোথায় গেল টাকাগুলো?

(৪) গণমিডিয়ায় বিরূপ প্রচারনার কারণে একাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে? নাকি তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই নিশ্চিত হয়ে গেলো কেউ?

(৫) গত ২ মাসের যুগান্তর‚ প্রথম আলো পড়ুন। 5 পরিচালকের পদত্যাগ খবরটি হেডলাইন ছিল। ঘটনাটি কি সত্য ছিল?

(৬) প্রথম আলো বলেছিল- গাছ না লাগিয়ে টাকা লোপাট করা হয়েছে। ৩-৪ দিন আগে বললো সরকারী জমিতে দেড় কোটি গাছ ডেসটিনির।

ডেসটিনি যদি অপরাধ করে থাকে তবে এর বিচার হোক‚ যদি অপরাধ না করে থাকে তবে হলুদ সাংবাদিকতার বিচার হোক। লাখ লাখ মানুষ ডেসটিনির সাথে জড়িত হয়ে উপার্জনের একটি উৎস খুজে পেয়েছে। এই উপার্জনের সাথে জড়িত ব্যক্তিটির আয়ের পথে বাঁধা দেয়া তখনই উচিত হবে যখন আমরা নিশ্চিত হব যে এই উপার্জনটি সঠিক নয়। না বুঝেই আমরা এমন কিছু মনগড়া মতামত দিয়ে দেই যা অনেক মানুষের ক্ষতির কারন হয়ে দাঁড়ায়।