ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

ছাত্র যাদেরকে বলা হয় জাতির ভবিষ্যৎ। কিন্তু আমাদের দেশে রাজনীতি ও রাজনৈতিক নেতাদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনের নেতা কর্মীরা ও তাদের ছত্রছায়ায় থাকা ছাত্ররা যেন মূর্তমান আতংক । বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে তথা কথিত এসব ছাত্র সংগঠনের নেতা সহ তাদের ছত্রছায়ায় থাকা ছাত্রদের হাতে লাঞ্ছিত নির্যাতিত হতে হয় সাধারন মানুষদের সাধারন পথচারী ফুটপাতের হকার এমন কি শপিংমলের ব্যবসায়ীরা ও তাতের লান্হনা ও নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষাপায় না । আমি যখন এ লেখাটি লেখছি তখন আমি খুবই অসুস্থ আমার কাপলে সাতটা সেলাইয়ের প্রয়োজন হয়েছে । তারপরও লিখছি কার আমার এই বাস্তব অভিজ্ঞতা সবার সাথে শেয়ার করতে চাই । পেটের দায়ে পরিবার পরিজন নিয়ে সৎভাবে বাঁচার জন্য ব্যবসাকরি । আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নিউমার্কেটস্হ ধানমন্ডি হকার্স মার্কেটে।

আমার অত্র এলাকার ব্যবসায়ীরা সব সময়ই ঢাকা কলেজের বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতা কর্মী ও তাদের চেলা চেংটারদের অত্যচারে অতিষ্ট বিভিন্ন বিনে পয়সায় তুলে নিয়ে যায় দোকানিদের নানা পণ্য সহ নগদ টাকা আবার কখনো দাবি করে মোটা অংকের চাঁদা আর সে দাবি পূরণ করতে ব্যর্থ হলেই ব্যবসায়ীদের উপর নেমে আসে অত্যচারে খড়গ, এ অত্যাচারে মাত্রা গত ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পড়ে কয়েক গুণ বেড়ে গেছে প্রতিনিয়তই ব্যবসায়ীরা কোন না কোন হামলার শিকার হচ্ছে ।

১৭ ডিসেম্বর এমনই একটি ঘটনার মুখোমুখি হতে হয় ধানমন্ডি হকার্স মার্কেটের ব্যবসায়ীদের এখানকার এক দোকানীর কাছ থেকে ঢাকা কেলেজে ছাত্রলীগ নামধারী কয়েকজন হাজারচল্লিশে টাকা মূলের কয়েকটি শাড়ী নাম মাত্র মূল্য দিয়ে নিয়ে যেতে চায় তথাকথিত ঐ ছাত্রলীগ পরিচয়দানকারি লোকেরা কিন্তু দোকানী কোন ভাবেই দিতে অস্বীকার করায় ছাত্রলীগ পরিচয়দানকারিরা বাহিরে চলে আসে এরই কিছুক্ষণ পর ঢাকা কলেজ থেকে শ’দুয়েক তথাকথিত ছাত্র এসে অর্তকিত হামল চালায় ধানমন্ডি হকার্স মার্কেটের সমগ্র ব্যবসায়ীদের উপর লুট করে নেয় লক্ষ লক্ষ টাকার মালা মাল সহ নগদ অর্থ যা এটিএন নিউজের ১৭ ডিসেম্বর ২০১৫ সংবাদে মার্কেটের সিসিটিভি ফুটেজে প্রকাশ করা হয় । শুধু ঢাকাতেই নয় ১৭ ডিসেম্বর একই ধরনের হালার শিকার হন রাজশাহীর ব্যবসায়ীরা । আগেই বলেছি ছাত্ররা জাতীর ভবিষ্যৎ আজকের ছাত্র আগামীর রাষ্ট্রের কর্ণধার, প্রতিনিয়তই সংবাদ মাধ্যমের শিরোনাম হচ্ছে আমাদের দেশের তথাকথিত ছাত্রসংগঠনের বিভিন্ন অপকর্মের সংবাদ । ছাত্ররা যখন লেখাপড়ার মননিবেষ না করে চাঁদাবাজি ছিনতাই খুন রাহাজানিতে লিপ্ত হয় তখন সেই রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ কি সেটাই একটা বড় প্রশ্ন? তাই আমাদের রাজনৈতিক দল গুলির বিশেষ করে বর্তমান ক্ষমতাশীন দলের উচিত এখন ই সময় তাদের ছাত্রসংগঠন গুলির লাগাম টেনে । ধরা তা না হলে অদূর ভবিষ্যৎ সমগ্র জাতিকে এর খেসারত দিতে হবে ।