ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস মারাত্নকভাবে বেড়ে গেছে । বিএনপির আমলে র্যাবের ক্রসফায়ার ছিল সবচেয়ে আলোচিত রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস । কিন্তু আওয়ামীলীগ র্যাবের ক্রসফায়ার তো বন্ধ করেইনি বরং এখন শুরু হয়েছে পুলিশের মাস্তানির যূগ । যখন তখন যাকে খুশি ধরে নিয়ে যাবে, এজন্য কোন মামলা লাগবে না । তারপর আছে সন্ত্রাসী আদালত । তারা যে কোন অজুহাতেই গ্রেফতার করা হোক না কেন দিয়ে দেবে লাগাতার রিমান্ড । বাংলাদেশের ইতিহাসে মনে হয় বর্তমানের চেয়ে আর কোনকালেই আদালত এত বিতর্কিত ছিল না । কুখ্যাত খাইরুলের পর এখন শামসু-গোবিন্দ (যাদের কারনেই এমইউ আহমেদ মারা গেছেন) দাপটের সাথে বিরোধীদলের বিরোদ্ধে একের পর এক আদেশ দিচ্ছেন । তার সাথে তো খুনের মামলার আসামী এবং আদালত ভাংচুরকারী রয়েছেই । তো গণতন্ত্রের লেবাসধারি এই সরকারের নীতি হল মিছিল করা যাবে না, মানববন্ধন করা যাবে না, সমাবেশ করা যাবে না আরো কত কি ? বিরোধীদলগুলো যদি এসব করতে নাই পারে তারা কি বসে বসে আঙ্গুল চুসবে ? অবশ্য এতদিন বিরোধী দলগুলোর কার্যকলাপে মনে হয়েছিল তারা যেন কিছুই করতে পারবে না । শুধ বসে বসে মার খাবে । তবে এই দিন মনে হয় শেষ হয়ে এসেছে । আজ ঢাকায় জামায়াতের মিছিলে পুলিশ বাধা দিয়েও মিছিল আটকাতে পারেনি । এরপরে মিছিলে পুলিশের হামলার পর উত্তেজিত জামাত কর্মীরা উল্টো পুলিশের উপর হামলা চালায় এবং ব্যাপক ভাংচুর হয় । এই ভাংচুরের জন্য অবশ্যই সরকার দায়ী । কারন তাদের নির্দেশেই পুলিশ পুর্বঘোষিত মিছিলে হামলা চালিয়ে হাঙ্গামা সৃষ্টি করেছে। আজ জামায়াত একা মাঠে নামতেই এই অবস্তা, চারদল ঐক্যবদ্ধভাবে নামলে পুলিশ কি করবে । তাই গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে অযথা হামলা চালিয়ে দেশের পরিবেশ নষ্ট করবেন না ।