ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ভারত যে সাহায্য করেছে তার প্রতিদান আমরা কোনভাবেই দিতে পারব না । কিন্তু সাহায্য করেছে বলে যে ভারত এখন আমাদের সাথে ইচ্ছামত ব্যবহার করবে তা কি মেনে নেওয়া যায় । বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে আমরা দেখতে পাচ্ছি ভারতকে একতরফাভাবে অনেক সুবিধা দিয়েই যাচ্ছে । কিন্তু বিনিময়ে আমরা কি পাচ্ছি ? সরকার গলা ফুলিয়ে বলল তিস্তা চুক্তি না হওয়ায় আমরা ট্রানজিট ও দেব না । তাদের সাথে সুর মিলিয়ে প্রপাগান্ডা চালিয়ে গেল আগাচৌ এবং উনার মত ভারত এবং আওয়ামীলীগের অনুগত মিডিয়া এবং তথাকথিত মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের বুদ্ধিজীবীরা । কিন্তু বাস্তবে আমরা দেখলাম ট্রানজিট দিয়ে দেওয়া হয়েছে । কিন্তু এ থেকে বাংলাদেশ কোন ফি পায়নি এবং আদৌ পাবে কি না তার কোন নিশ্চয়তা নেই । তারপর শোনলাম বাংলাদেশের ৪৭টি পণ্য নাকি শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পেয়েছে । কিন্ত নানা জটিলতায় এগুলোও এখনো ঢুকতে পারেনি ভারতীয় বাজারে । ভারতের প্রশংসায় পঞ্চমুখ সরকার এখন ক্ষমতায় সাথে আছেন এদেশের ভারতবান্ধব মিডিয়ামুগলরাও । কিন্তু এখনো ভারতে চলতে পারেনা বাংলাদেশি কোন চ্যানেল । আদৌ কোনদিন চলার সুযোগ পাবে কি না তার কোন ঠিক নেই । কিন্তু এদেশে অবাধে চলছে ভারতীয় চ্যানেলগুলো । বাংলাদেশি চ্যানেলের জন্য দেনদরবার করা তো দুরের কথা উল্টো এদেশের সিনেমা হলে এখন চলবে ভারতীয় ছবি । স্বপক্ষে আছেন মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের দাবীদার শিল্পী এবং বুদ্ধীজীবীরা । টিপাইমুখে বাংলাদেশের জন্য মরণঘাতি বাধ দিচ্ছে ভারত । প্রতিবাধ কর না কোন মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি । উল্টো তারা পানি বিশারদদের মতামতের পরও ভারতের কথামত সাফাই গায় এই ভারতের পক্ষে ।

কি ভাববো আমরা ঢাবি ভিসি, গওহর রিজবী, সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম, আওয়ামীলীগ, তথা জাতির পিতার কন্যা সম্পর্কে ?